StudyWithGenius

WBBSE Madhyamik History Suggestion 2022 (NEW Syllabus)- পঞ্চম অধ্যায়ঃ বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা | Chapter Wise Suggestion, PDF Download

Madhyamik History Suggestion 2022
মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন ২০২(2022) | দশম শ্রেণীর ইতিহাস –পঞ্চম অধ্যায়ঃ “বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা”  প্রশ্ন উত্তর 

Madhyamik History Suggestion 2022 ” মাধ্যমিক  ইতিহাস –  পঞ্চম অধ্যায়ঃ “বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা” MCQ প্রশ্ন উত্তর  “ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ টপিক মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik / WB Madhyamik / MP Exam / West Bengal Board of Secondary Education – WBBSE Madhyamik Exam / Madhyamik Bengali Suggestion 2022 / Madhyamik Class 10th / Class X / Madhyamik Pariksha) পরীক্ষায় এখান থেকে প্রশ্ন অবশ্যম্ভাবী । সে কথা মাথায় রেখে StudywithGenius.in এর পক্ষ থেকে মাধ্যমিক (দশম শ্রেণী) ইতিহাস পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক প্রশ্নোত্তর এবং সাজেশন (Madhyamik History Suggestion 2022 / West Bengal Board of Secondary Education – WBBSE History Suggestion / Madhyamik Class 10th History Suggestion / Class X History Suggestion / Madhyamik Pariksha History Suggestion / History Madhyamik Exam Guide / MCQ , Short , Descriptive  Type Question and Answer. / Madhyamik History Suggestion 2022 FREE PDF Download) উপস্থাপনের প্রচেষ্টা করা হলাে। ছাত্রছাত্রী, পরীক্ষার্থীদের উপকারে লাগলে, আমাদের প্রয়াস  মাধ্যমিক (দশম শ্রেণী) ইতিহাস পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক প্রশ্নোত্তর এবং সাজেশন সফল হবে।

Madhyamik History Suggestion 2022

Madhyamik History Suggestion 2022 (মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন ২০২২) – ” পঞ্চম অধ্যায়ঃ ” বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এই Madhyamik History Suggestion 2022 (মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন) –পঞ্চম অধ্যায়ঃ “বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা” MCQ, সংক্ষিপ্ত, অতিসংক্ষিপ্ত এবং রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর  গুলি আগামী সালের পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট। আপনারা যারা মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর  ইতিহাস 2022 পরীক্ষার সাজেশন খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্নপত্র ভালো করে পড়তে পারেন। এই পরীক্ষা তে কোশ্চেন গুলো আসার সম্ভাবনা খুব বেশি।

বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১):পঞ্চম অধ্যায়ঃ "বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা" প্রশ্ন উত্তর – মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন ২০২২ – Madhyamik History Suggestion 2022
1. 
বাংলায় প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়—
2. 
‘বেঙ্গল গেজেট’ প্রকাশ করেন—
3. 
'বেঙ্গল গেজেট’ প্রকাশিত হয়—
4. 
বাংলা ভাষায় প্রথম ছাপা বই হল—
5. 
‘এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ’ গ্রন্থ রচনা করেন—
6. 
'বাংলা মুদ্রণশিল্পের জনক’ বলা হয়—
7. 
বাংলার প্রথম বাংলা সংবাদপত্র হল—
8. 
'বর্ণপরিচয়' প্রকাশিত হয়েছিল—
9. 
'ইউ রায় অ্যান্ড সন্স' প্রতিষ্ঠা করেন—
10. 
‘ভারতে ‘হাফ টোন’ প্রিন্টিং পদ্ধতি প্রবর্তন করেন—
11. 
‘সন্দেশ' পত্রিকা প্রকাশ করেন—
12. 
'জাতীয় বিজ্ঞানচর্চার জনক' বলা হয়—
13. 
'ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স’-এর যে বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন—
14. 
'বসু বিজ্ঞান মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন—
15. 
'বেঙ্গল কেমিক্যালস’ প্রতিষ্ঠা করেন—
16. 
বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়—
17. 
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘নোবেল' পুরস্কার পান—
18. 
'বিশ্বভারতী’ প্রতিষ্ঠা করেন—
19. 
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন—

 

 

Thank You

 

 

 

 

 

 

Join our social networks below and stay updated with latest contests, videos, internships and jobs!
YouTube | LinkedIn | Instagram | Facebook | Pinterest

অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১): পঞ্চম অধ্যায়ঃ "বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা" প্রশ্ন উত্তর – মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন ২০২২ – Madhyamik History Suggestion 2022

1. ছাপাখানা প্রথম কে আবিষ্কার করেন?

উত্তর: জার্মানির মেইনজ শহরের অধিবাসী গুটেনবার্গ প্রথম ছাপাখানা আবিষ্কার করেন।

2. ‘আধুনিক ছাপাখানার জনক’ নামে কে পরিচিত ?

উত্তর: আধুনিক ছাপাখানার জনক’ নামে পরিচিত জার্মানির জোহানেস গুটেনবার্গ।

3. কে প্রথম কলকাতায় ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন?

উত্তর: জেমস অগাস্টাস হিকি নামে একজন আইরিশ প্রথম কলকাতায় ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন।

4. হিকির প্রকাশিত সংবাদপত্রের নাম কী ছিল?

উত্তর: বেঙ্গল গেজেট ছিল হিকির প্রকাশিত সংবাদপত্র।

5. উন্নত বাংলা হরফ তৈরির কারিগর কে?

উত্তর: উন্নত বাংলা হরফ তৈরির কারিগর ছিলেন পঞ্চানন কর্মকার।

6. ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ কে প্রতিষ্ঠা করেন?

উত্তর: ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন লর্ড ওয়েলেসলি (১৮০০ খ্রিস্টাব্দে)।

7. ‘শ্রীরামপুর ত্রয়ী’ কাদের বলা হয়?

উত্তর:  উইলিয়ম কেরি, জোসুয়া মার্শম্যান এবং উইলিয়ম ওয়ার্ড একত্রে ‘শ্রীরামপুর ত্রয়ী’ নামে পরিচিত।

8. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম মাসিক সংবাদপত্র কোনটি?

উত্তর > বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম মাসিক সংবাদপত্র হল দিগদর্শন (১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ)।

9. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র কোন্‌টি?

উত্তর: বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র হল সমাচার দর্পণ (১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ)।

10. ‘ক্যালকাটা বুক সোসাইটি’ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর: ‘ক্যালকাটা বুক সোসাইটি’ ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়।

11. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম চিত্রিত গ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তর: বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম চিত্রিত গ্রন্থের নাম হল অন্নদামঙ্গল।

12. কে ‘বর্ণপরিচয়’ রচনা করেন?

উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ‘বর্ণপরিচয়’ রচনা করেন।

13. ‘ইউ রায় অ্যান্ড সন্স’ ছাপাখানাটি কে প্রতিষ্ঠা করেন?

উত্তর: ইউ রায় অ্যান্ড সন্স ছাপাখানাটি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী প্রতিষ্ঠা করেন (১৮৯৫ খ্রিস্টাব্দে)।

14. মুদ্রণশিল্পে উপেন্দ্রকিশোরের কৃতিত্ব কী ছিল?

উত্তর: মুদ্রণশিল্পে উপেন্দ্রকিশোরের কৃতিত্ব ছিল প্রসেসিং এবং হাফটোন ব্লক তৈরি।

15. ‘হাফটোন’ কী?

উত্তর: ফোটোগ্রাফকে বইতে ছাপার উপযুক্ত ব্লক তৈরি করার প্রযুক্তি হল হাফটোন।

16. ‘সন্দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?

উত্তর: ‘সন্দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী।

17. IACS কে প্রতিষ্ঠা করেন ?

উত্তর: IACS-এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন ডা. মহেন্দ্রলাল সরকার (১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে)।

18. ‘কলকাতা বিজ্ঞান কলেজ’ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর: ‘কলকাতা বিজ্ঞান কলেজ’ ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।

19. ‘বাংলার বাঘ’ বলা হয় কাকে?

উত্তর: ‘বাংলার বাঘ’ বলা হয় স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়-কে।

20. ‘বসু বিজ্ঞান মন্দির’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?

উত্তর: আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ‘বসু বিজ্ঞান মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন।

21. ‘ক্রেসকোগ্রাফ’ (Crescograph) যন্ত্রের আবিষ্কারক কে ছিলেন?

উত্তর: ‘ক্রেসকোগ্রাফ’ (Crescograph) যন্ত্রের আবিষ্কারক ছিলেন আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ৷

22. ‘বসু বিজ্ঞান মন্দির’-এর বর্তমান নাম কী?

উত্তর: ‘বসু বিজ্ঞান মন্দির’-এর বর্তমান নাম বোস ইনস্টিটিউট।

23. ‘জাতীয় শিক্ষা পরিষদ কবে প্রতিষ্ঠিত হয় ?

উত্তর: ‘জাতীয় শিক্ষা পরিষদ’ ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দের ১১ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।

24. কত খ্রিস্টাব্দে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর: ১৯২১ খ্রিস্টাব্দের ২৩ ডিসেম্বর রবীন্দ্রনাথ বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করেন।

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ২): পঞ্চম অধ্যায়ঃ "বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা" প্রশ্ন উত্তর – মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন ২০২২ – Madhyamik History Suggestion 2022

1. ‘মুদ্রণশিল্পের জনক’ কাকে, কেন বলা হয় ?

উত্তর: মুদ্রণশিল্পের জনক : ‘মুদ্রণশিল্পের জনক’ বলা হয় জার্মানির জোহান ফস্ট সুড গুটেনবার্গ-কে।

‘মুদ্রণশিল্পের জনক’ বলার কারণ : গুটেনবার্গ আনুমানিক ১৪৪০ খ্রিস্টাব্দে আধুনিক মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের মাধ্যমে ছাপাখানার জগতে এক বিস্ময়কর অবদান রাখেন। তিনি মুভেবল টাইপ ব্যবহার করেন। তাঁর ছাপাখানা থেকে ১৪৫৫ খ্রিস্টাব্দে বাইবেল মুদ্রিত হয়। এই সকল কারণে গুটেনবার্গকে ‘ছাপাখানার জনক’ বলে অভিহিত করা হয়।

2. কে, কবে বাংলায় প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন?

উত্তর ইউরোপে ছাপাখানা আবিষ্কারের প্রায় শতবর্ষ পরে পোর্তুগিজরা গোয়ায় ছাপাখানা স্থাপন করে ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে।

বাংলায় ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা :

প্রতিষ্ঠাতা : বাংলায় ছাপাখানার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জেমস অগাস্টাস হিকি নামে একজন আইরিশ মুদ্রাকর।

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৭৭৭ খ্রিস্টাব্দে হিকি এই ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন।

3. বাংলার মুদ্রণক্ষেত্রে শ্রীরামপুর মিশনারিদের অবদান লেখো।

উত্তর: বাংলার মুদ্রণক্ষেত্রে শ্রীরামপুর মিশনারিরা বিশিষ্ট অবদান রাখেন।

গ্রন্থ প্রকাশনা : বাইবেল-এর ২৬টি ভাষায় অনুবাদ, ভূগোল, পদার্থবিদ্যা, জ্যোতির্বিদ্যা, রসায়ন, শারীরবিদ্যার বই এবং রামায়ণ, মহাভারত, হিতোপদেশ, বত্রিশ সিংহাসন প্রভৃতি সংস্কৃত গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করা হয়।

সংবাদপত্র প্রকাশনা : বাংলা মাসিক পত্রিকা ‘দিগদর্শন’, বাংলা সাপ্তাহিক ‘সমাচার দর্পণ’ এবং ইংরেজি সাপ্তাহিক ‘ফ্রেন্ড অফ ইন্ডিয়া’ প্রকাশিত হয়।

অবদান : এই সকল প্রকাশনার মাধ্যমে মিশনারিরা শুধু বাংলার মানুষের মানসিক উন্নয়নেই নয়, জাতীয় চেতনা ও জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তুলতেও সাহায্য করেন।

4. কাকে, কেন ‘বাংলার গুটেনবার্গ’ বলে অভিহিত করা হয়?

উত্তর: বাংলা ভাষার বিকাশে চার্লস উইলকিনস-এর অবদান অনস্বীকার্য।

বাংলার গুটেনবার্গ : চার্লস উইলকিনস-কে ‘বাংলার গুটেনবার্গ’ আখ্যা দেওয়া হয়।

কারণ : জার্মানিতে প্রথম সঞ্চালনযোগ্য মুদ্রাক্ষর প্রবর্তন করে আলোড়ন ফেলে দেন গুটেনবার্গ। ঠিক তেমনই ভারতে প্রথম সঞ্চালনযোগ্য বাংলা মুদ্রাক্ষর সৃষ্টি করেন চার্লস উইলকিনস। তাই তাঁকে ‘বাংলার গুটেনবার্গ’ বলা হয়।

5. বাংলার ছাপাখানার বিকাশে পঞ্চানন কর্মকারের ভূমিকা কী ছিল ?

উত্তর: বাংলা হরফে ও বাংলা ভাষায় মুদ্রণের ক্ষেত্রে পঞ্চানন কর্মকারের মৌলিক অবদান রয়েছে।

বাংলা হরফ তৈরি : ত্রিবেণীর পঞ্চানন কর্মকার ধাতুর উপর নকশা খোদাই-এর পুরুষানুক্রমিক জীবিকার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ছেনি দিয়ে কাটা বাংলা হরফ তৈরি করেন। এই কাজের তত্ত্বাবধান করেন চার্লস উইলকিনস। এই হরফেই হ্যালহেডের বাংলা ব্যাকরণ মুদ্রিত হয়।

           এরপর তিনি শ্রীরামপুর মিশনের ছাপাখানায় যোগ দেন। এইভাবে পঞ্চানন কর্মকার পেশাগত কাজের সূত্রে বাংলা মুদ্রণ জগতে এক বিপ্লবের সূত্রপাত করেছিলেন।

6. কে, কবে ইউ রায় অ্যান্ড সন্স-এর প্রতিষ্ঠা করেন ?

উত্তর: বাংলা মুদ্রণের জগতে ইউ রায় অ্যান্ড সন্স ছিল একটি বিখ্যাত সংস্থা।

ইউ রায় অ্যান্ড সন্স-এর প্রতিষ্ঠা :

প্রতিষ্ঠাতা : শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ‘ইউ রায় অ্যান্ড সন্স’ প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৮৯৫ খ্রিস্টাব্দে ‘ইউ রায় অ্যান্ড সন্স’ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই মুদ্রণসংস্থা ছাপার ক্ষেত্রে খুব উন্নত ছিল।

7. বাংলায় মুদ্রণশিল্পে ইউ রায় অ্যান্ড সন্স-এর ভূমিকা লেখো।

উত্তর: ইউ রায় অ্যান্ড সন্স-এর ভূমিকা :

প্রসেসিং : উপেন্দ্রকিশোর ফোটোর নেগেটিভের মান উন্নত করা, প্রসেসিং, ক্যামেরা বিষয়ে কাজকর্মে মৌলিক অবদান রাখেন।

ব্লক তৈরি : প্রথমে কাঠের ব্লক এবং সাদা-কালো ছবি, তারপর হাফটোন ব্লক ও রঙিন ছবি তৈরি করে মুদ্রণে অভিনবত্ব আনেন তিনি।

ফোটো এনগ্রেভিং ও লিথোগ্রাফি : উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর পুত্র সুকুমার রায় লন্ডনে ফোটো এনগ্রেভিং ও লিথোগ্রাফি বিষয়ে শিক্ষালাভ করেন এবং ছাপার মান আরও উন্নত করেন।

            এইভাবে মুদ্রণশিল্পে ‘ইউ রায় অ্যান্ড সন্স’ বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করে। ছাপাখানাটি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অত্যন্ত বিখ্যাত হয়ে ওঠে।

8. বাংলার বিজ্ঞানচর্চায় শ্রীরামপুর কলেজের অবদান লেখো।

উত্তর: বাংলার প্রথমদিকে বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে যে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবদান ছিল শ্রীরামপুর কলেজ তাদের মধ্যে বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে।

শ্রীরামপুর কলেজের অবদান :

পঠনপাঠন : বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা (পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা, শারীরবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা) এই কলেজে পড়ানো হত।

পঠনপাঠন : বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা (পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা, শারীরবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা) এই কলেজে পড়ানো হত।

9. IACS প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য কী ছিল?

উত্তর: উদ্দেশ্যসমূহ : IACS প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি হল—

[1] বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় করে তোলা।

[2] বৈজ্ঞানিক গবেষণার মান উন্নত করা।

[3] পাশ্চাত্য দেশের বিজ্ঞানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা।

[4] পাশ্চাত্যের বৈজ্ঞানিক গবেষণা নিয়ে আলোচনা করা প্রভৃতি।

10. ‘বসু বিজ্ঞান মন্দির’ কে, কবে প্রতিষ্ঠা করেন?

উত্তর: বসু বিজ্ঞান মন্দির বা বোস ইনস্টিটিউট বিজ্ঞানচর্চার একটি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

বসু বিজ্ঞান মন্দির প্রতিষ্ঠা :

প্রতিষ্ঠাতা : আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ছিলেন এর প্রতিষ্ঠাতা।

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের ৩০ নভেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

‘বসু বিজ্ঞান মন্দির’ গড়ে ওঠার পর ভারতে বিজ্ঞানচর্চার ধারা শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

11. কে, কেন ‘বেঙ্গল কেমিক্যালস’ স্থাপন করেন?

উত্তর: বেঙ্গল কেমিক্যালস: স্বদেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে বেঙ্গল কেমিক্যালস অন্যতম প্রধান।

প্রতিষ্ঠা : ১৯০১ খ্রিস্টাব্দের ১২ এপ্রিল প্রফুল্লচন্দ্র রায় কলকাতায় ‘বেঙ্গল কেমিক্যালস অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস’ নামক একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য : ভারতে রসায়নচর্চা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে প্রফুল্লচন্দ্র রায় ‘বেঙ্গল কেমিক্যালস’-এর প্রতিষ্ঠা করেন। ‘বেঙ্গল কেমিক্যালস’-ই ভারতের প্রথম রাসায়নিক দ্রব্য ও ওষুধ প্রস্তুতের কারখানা হিসেবে পরিচিত।

12. ‘শ্রীনিকেতন’ কী উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ?

উত্তর: শান্তিনিকেতন থেকে প্রায় ৩ কিমি দূরত্বে অবস্থিত শ্রীনিকেতন তার উপর হল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাখা প্রতিষ্ঠান।

উদ্দেশ্য : রবীন্দ্রনাথ মনে করতেন, মানুষের সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয়ের জন্য পল্লিগ্রামের সঙ্গে শান্তিনিকেতনের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ হওয়া প্রয়োজন। এই উদ্দেশ্যে কবি গ্রামোন্নয়ন এবং কিশোর-যুবকদের জন্য উন্নয়নমূলক কার্যাবলির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলেন শ্রীনিকেতন। কৃষি ও পল্লিসংগঠন ভবন এবং শিল্পভবন এর অন্যতম অঙ্গ।

13. নন্দলাল বসু স্মরণীয় কেন?

উত্তর: ভারতীয় চিত্রকলার ইতিহাসে নন্দলাল বসু এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছাত্র ছিলেন তিনি। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে শান্তিনিকেতনের ‘কলাভবন’-এর অধ্যক্ষ হিসেবে নিযুক্ত হন নন্দলাল বসু।

স্মরণীয় হওয়ার কারণ :

[1] আর্ট স্কুলে পড়ার সময়ে তাঁর আঁকা কিছু বিখ্যাত চিত্র হল— ‘শোকার্ত সিদ্ধার্থ’, ‘সতী’, ‘শিবসতী’, ‘ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা’ ইত্যাদি।

[2] লেডি হেরিংহ্যামের সহকারীরূপে অজন্তা গুহাচিত্র নকল করার কাজ করেন নন্দলাল বসু। রবীন্দ্রনাথ ও অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বহু গ্রন্থের অলংকরণও করেন তিনি।

[3] স্বাধীন ভারতের সংবিধান গ্রন্থও তাঁর চিত্রে ও নির্দেশে অলংকৃত।

14. ‘বিশ্বভারতী’ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য কী ছিল?

উত্তর: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে নিজের শিক্ষাচিন্তার ভিত্তিতে বিশ্বভারতী নামক একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

‘বিশ্বভারতী’ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য :

[1] রবীন্দ্রনাথ ‘বিশ্বভারতী’-কে বিশ্বজাতির মিলনভূমিতে পরিণত করতে চেয়েছিলেন। তিনি বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটানোর উদ্দেশ্যে শান্তিনিকেতনে চিন, জাপান, ইউরোপ, আমেরিকা-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্ডিতদের নিয়ে এসেছিলেন।

[2] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে প্রকৃতি, মানুষ ও শিক্ষার সমন্বয় ঘটাতে চেয়েছিলেন। এইজন্য শান্তিনিকেতনের ছাত্রছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষের বাইরে প্রকৃতির মধ্যে গাছের তলায় শিক্ষা দেওয়া হত। তা ছাড়া শান্তিনিকেতনের সঙ্গে পাশাপাশি গ্রাম ও তার মানুষদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। তাই শান্তিনিকেতনের শিক্ষা হয়ে উঠেছিল মানবতাবোধের শিক্ষা।

বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ৪ ): পঞ্চম অধ্যায়ঃ "বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা" প্রশ্ন উত্তর – মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন ২০২২ – Madhyamik History Suggestion 2022

1. ছাপাখানা স্থাপন ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে শ্রীরামপুর মিশনের অবদান লেখো।

উত্তর: ভূমিকা : বাংলায় শ্রীরামপুর মিশনারিদের বহু কৃতিত্বের নিদর্শন আছে। এসব কৃতিত্বের অন্যতম হল ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা ও প্রকাশনা। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা প্রকাশনার মাধ্যমে শ্রীরামপুর মিশন শিক্ষাবিস্তার ও সমাজ চেতনা সৃষ্টিতে বিশেষ অবদান রেখেছিল।

ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা : জোসুয়া মার্শম্যান, উইলিয়ম ওয়ার্ড ও উইলিয়ম কেরি শ্রীরামপুরে ব্যাপটিস্ট মিশন প্রতিষ্ঠা করেন ১৮০০ খ্রিস্টাব্দের ১০ জানুয়ারি। এঁদের মধ্যে উইলিয়ম কেরি একটি কাঠের পুরাতন ছাপাখানা কিনে ওই একই বছরে প্রতিষ্ঠা করেন শ্রীরামপুর ভূতি মিশন। পরে লোহার ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮২০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মিকা মিশনের ছাপাখানার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৮টি।

মুদ্রণ : শ্রীরামপুর মিশন ছাপাখানায় প্রথমে ইংরেজি ভাষায় কাঠের হরফের ব্লক তৈরি করে ছাপা হত। পরে ধাতুর ইংরেজি ও বাংলা হরফ তৈরি করা হয়। এসময় হরফ তৈরিতে পঞ্চানন কর্মকার বিখ্যাত ছিলেন। কেরি তাঁকে মিশনে নিয়োগ করেন। মিশনের ছাপাখানার কম্পোজিটার ছিলেন গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য।

প্রকাশনা : শ্রীরামপুর মিশন থেকে বহু গ্রন্থ ও পত্রপত্রিকা প্রকাশিত হয়। তারা প্রথমে বাইবেল প্রকাশ করে। ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত বাইবেল ছাড়াও ২৬টি আঞ্চলিক ভাষায় বাইবেল ছাপা হয়। ৩৬টি বাংলা হরফে ও ১টি সংস্কৃত হরফে লেখা গ্রন্থ এবং এগুলির ১২টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। এসময় গড়ে ওঠা স্কুল-কলেজের বিভিন্ন বিষয়ের পাঠ্যবই ছাপা ও প্রকাশের কাজও এখানে করা হত। ‘দিগদর্শন’ (এপ্রিল, ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ), ‘সমাচার দর্পণ’ (মে, ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ), ‘ফ্রেন্ড অফ ইন্ডিয়া’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

উপসংহার : এইভাবে বিদেশি উদ্যোগে বাংলা ও ইংরেজি হরফে পত্রপত্রিকা ছাপা ও প্রকাশিত হতে থাকে। এক্ষেত্রে শ্রীরামপুর মিশনারিরা বিশেষ অবদান রাখেন।

2. বাংলায় মুদ্রণশিল্পের বিকাশে গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের কীরূপ অবদান ছিল ?

অথবা, বাংলা ছাপাখানা ও প্রকাশনা ব্যাবসার ক্ষেত্রে গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের ভূমিকা আলোচনা করো।

উত্তর: ভূমিকা : বাংলায় মুদ্রণশিল্পের বিকাশে গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের অবদান অনস্বীকার্য।

কম্পোজিটার হিসেবে ভূমিকা : শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশনারিদের প্রেস ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে স্থাপিত হয়। সেই সময় থেকেই গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য একজন কম্পোজিটার হিসেবে মিশন প্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে মিশনারিদের সঙ্গে মতানৈক্যের কারণে তিনি মিশন প্রেস ছেড়ে কলকাতায় আসেন।

‘বাঙ্গাল গেজেটি প্লেস’ স্থাপন : কলকাতায় এসে তিনি অন্যের প্রেস থেকে ছাপিয়ে অনেক বই প্রকাশ করেছিলেন। ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য ও হরচন্দ্র রায় যৌথ উদ্যোগে চোরবাগান স্ট্রিটে যে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন, তা হল ‘বাঙ্গাল গেজেটি প্রেস’ বা ‘আপিস’। এখান থেকে কলকাতায় ‘বাঙ্গাল গেজেটি’ নামে এক সংবাদপত্র প্রকাশনায় অগ্রণী ভূমিকা নেন গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য।

মুদ্রাকর : তিনি অনেকগুলি গ্রন্থ নিজে রচনাও করেন। পুস্তক ব্যবসায়ে নিজে জড়িত ছিলেন। মুদ্রণ ও প্রকাশনায় তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন।

মূল্যায়ন : পরবর্তী সময়ে গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য কলকাতা ছেড়ে নিজ গ্রাম বহড়ায় ফিরে যান। সেখান থেকেই মুদ্রণ ও প্রকাশনার কাজ চালিয়ে যান তাই বলা যায় যে, তিনি ছিলেন প্রথম বাঙালি যিনি একাধারে মুদ্রণ ব্যবসায়ী, প্রকাশক, পুস্তক ব্যবসায়ী ও সর্বোপরি এক গ্রন্থকার-সাংবাদিক।

3. বাংলায় ছাপাখানার বিকাশে উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর ভূমিকা আলোচনা করো।

উত্তর: ভূমিকা : উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী বাংলা তথা সমগ্র ভারতে প্রকাশনা জগতের ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় নাম। তিনি বাংলায় ‘হাফটোন’ পদ্ধতি, ‘রঙিন ব্লক’-এর সূচনা করেছিলেন। ১৮৯৫ খ্রিস্টাব্দে তাঁর নিজস্ব মুদ্রণ ও প্রকাশনা সংস্থা ‘ইউ রায় অ্যান্ড সন্স’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে তাঁর পুত্র সুকুমার রায়ের প্রচেষ্টায় এই সংস্থার খ্যাতি বৃদ্ধি পায়।

‘ইউরায় অ্যান্ড সন্স’-এর প্রতিষ্ঠা : উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী বিদেশ থেকে আধুনিক মুদ্রণযন্ত্র এনে ১৮৯৫ খ্রিস্টাব্দে ‘ইউ রায় অ্যান্ড সন্স’ নামে একটি ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে এটি ছিল কলকাতার ৩৮/১, শিবনারায়ণ দাস লেনে। পরবর্তীকালে এর ঠিকানার পরিবর্তন ঘটেছিল।

‘ইউ রায় অ্যান্ড সন্স’-এর উদ্যোগে ছাপাখানার বিকাশ:

[1] হাফটোন ব্লকের ব্যবহার : উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ছাপার বিষয় নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষানিরীক্ষা করেন। তিনি ছাপার কাজে ‘হাফটোন ব্লক’ তৈরি ও প্রয়োগের উদ্ভাবক ছিলেন। এর ফলে মুদ্রণ শিল্পে অভূতপূর্ব উন্নতি পরিলক্ষিত হয়।

[2] ছবির ব্যবহার : তিনি তাঁর ‘ইউ রায় অ্যান্ড সন্স’ থেকে প্রকাশিত বইয়ের প্রচ্ছদ ও ভিতরের পাতায় কীভাবে উন্নত ছবির ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষানিরীক্ষা চালান। এক্ষেত্রে তিনি স্ক্রিন অ্যাডজাস্টার যন্ত্র, ডায়াফর্ম সিস্টেম প্রভৃতি ব্যবহার করে সে যুগেও রংবেরঙের ছবি ছাপার ব্যবস্থা করেন।

সুকুমার রায়ের প্রচেষ্টা : ছাপার বিষয়ে আরও অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য উপেন্দ্রকিশোর তাঁর সুযোগ্য পুত্র সুকুমার রায়কে লন্ডনে পাঠিয়েছিলেন। সুকুমার রায় পিতার উদ্ভাবনী দক্ষতার সঙ্গে তাঁর নিজস্বতা দিয়ে ‘ইউ রায় অ্যান্ড সন্স’-কে একটি বিখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সহায়তা করেছিলেন।

প্রকাশনা : ‘ইউ রায় অ্যান্ড সন্স’ থেকে প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল— ‘টুনটুনির বই’, ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ ‘ছেলেদের মহাভারত’ ইত্যাদি। এই সংস্থার অন্যতম উল্লেখযোগ্য অবদান হল ‘সন্দেশ’ পত্রিকার প্রকাশ।

উপসংহার : উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এবং সুকুমার রায় কেবলমাত্র অর্থ উপার্জনের জন্য ‘ইউ রায় অ্যান্ড সন্স’-এর প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেননি। তাঁরা এখান থেকে নিজেদের লেখা গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন। ছাপার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে গিয়েছেন। তাই ছাপাখানার জগতে তাঁদের এই অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছে।

4. বসু বিজ্ঞান মন্দির সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তর: ভূমিকা : বসু বিজ্ঞান মন্দির হল কলকাতার বিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণার একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান। এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু। তিনি ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের ৩০ নভেম্বর কলকাতায় এর প্রতিষ্ঠা করেন। এটি বিশ্বের প্রথম সারির গবেষণাকেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম।

বসু বিজ্ঞান মন্দির প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য : বসু বিজ্ঞান মন্দির প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রতিষ্ঠাতা জগদীশচন্দ্র বসু বলেছেন যে, এটির উদ্দেশ্য হল বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও জ্ঞানের প্রসার ঘটানো। তিনি চাইতেন বিজ্ঞান মন্দিরের আবিষ্কারের সুফল যেন সর্বজনীন হয়।

প্রতিষ্ঠার পটভূমি : বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু ইংল্যান্ডের রয়্যাল সোসাইটির অনুকরণে ভারতে একটি বিজ্ঞান গবেষণাগার গঠনের কথা কল্পনা করেছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অবসর গ্রহণের পর বসু বিজ্ঞান মন্দির প্রতিষ্ঠার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। এর জন্য তিনি তাঁর বাড়িসংলগ্ন জমি ক্রয় করেছিলেন।

গবেষণার ক্ষেত্র : বসু বিজ্ঞান মন্দিরে প্রকৃতিবিজ্ঞানের নানা বিষয় নিয়ে গবেষণা শুরু হয়। এখানে উদ্ভিদবিদ্যার সঙ্গে পদার্থবিদ্যার গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ ছাড়া পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, বায়োফিজিক্স, পরিবেশ বিজ্ঞান প্রভৃতি নানা বিষয়ের গবেষণার ব্যবস্থা করেন তিনি। জগদীশচন্দ্র বসু ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে আমৃত্যুকাল এই প্রতিষ্ঠানে গবেষণাকার্য পরিচালনা করেন। তিনি উদ্ভিদের প্রাণ ও স্পন্দনের বার্তা সম্পর্কিত বিষয়ে দীর্ঘ গবেষণা করেন এবং আবিষ্কার করেন ‘ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র’। বসু বিজ্ঞান মন্দির বর্তমানে বোস ইনস্টিটিউট নামে পরিচিত।

উপসংহার : বসু বিজ্ঞান মন্দির ভারতে বিজ্ঞান গবেষণার ইতিহাসে এক মাইলফলকস্বরূপ। বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন জগদীশচন্দ্র বসু সম্পর্কে বলেছেন যে, জগদীশচন্দ্র যেসব অমূল্য তথ্য পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন তার যে-কোনোটির জন্য বিজয়স্তম্ভ স্থাপন করা উচিত।

5. কারিগরি শিক্ষার বিকাশে বাংলায় বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের কী ভূমিকা ছিল?

অথবা, বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট (BTI) সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তর: ভূমিকা : ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে বিদেশি শিক্ষার বিকল্প হিসেবে স্বদেশি শিক্ষার জন্য জাতীয় শিক্ষা পরিষদ গঠিত হয়। জাতীয় শিক্ষা পরিষদের অধীনে শিক্ষার বিষয় হিসেবে কলাবিদ্যা, বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা নিয়ে মতপার্থক্য দেখা দেয়। তারকনাথ পালিত, নীলরতন সরকার প্রমুখ সদস্যরা কারিগরি শিক্ষার সমর্থক ছিলেন। তারকনাথ পালিত কারিগরি বিদ্যাচর্চার বিকাশের জন্য সোসাইটি ফর দ্য প্রোমোশন অফ টেকনিক্যাল এডুকেশন (Society for the Promotion of Technical Education) প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রতিষ্ঠা ও প্রতিষ্ঠাতা : ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দের ২৫ জুলাই সোসাইটি ফর দ্য প্রোমোশন অফ টেকনিক্যাল এডুকেশন-এর উদ্যোগে ৯২, আপার সার্কুলার রোডে বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের (Bengal Technical Institute বা BTI) প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তারকনাথ পালিত।

পঠনপাঠন : 

বিটিআই-তে দু-ধরনের পাঠ্যক্রম চালু ছিল—

[1] তিন বছরের অন্তর্বর্তী পাঠ্যক্রম।

[2] চার বছরের মাধ্যমিক পাঠ্যক্রম।

           এখানে মূলত পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত, ইংরেজি, যন্ত্রবিজ্ঞান, ভূবিদ্যা প্রভৃতি বিষয় পড়ানো হত।

 মূল্যায়ন : বিটিআই (BTI) সাফল্যের সঙ্গে তার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছিল। পরবর্তীকালে এটি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ)-এ পরিণত হয়।

6. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর শান্তিনিকেতন ভাবনা সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

অথবা, বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষাচিন্তার পরিচয় দাও।

উত্তর: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে নিজের শিক্ষাচিন্তার ভিত্তিতে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। রবীন্দ্রনাথের পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রায়পুরের জমিদার ভুবনমোহন সিংহের কাছ থেকে ২০ বিঘা জমি কিনে ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে রবীন্দ্রনাথ ১৯০১ খ্রিস্টাব্দের ২২ ডিসেম্বর পাঁচ জন ছাত্র নিয়ে ‘ব্রষ্মচর্যাশ্রম’ নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। ধাপে ধাপে এই শান্তিনিকেতনেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বভারতী গড়ে তোলেন।

শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা : মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রায়পুরের জমিদার ভুবনমোহন সিংহের কাছ থেকে ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে ২০ বিঘা জমি কেনেন। এখানে তিনি শান্তিনিকেতন নামে একটি আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে তাঁর শিক্ষার কার্যক্রম শুরু করেন।

রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন ভাবনা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর নিজস্ব শিক্ষাচিন্তার ভিত্তিতে শান্তিনিকেতনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনি চেয়েছিলেন –

[1] প্রকৃতির কাছাকাছি আদর্শ পরিবেশের মধ্যে শিশুদের বড়ো করে তুলতে হবে।

[2] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রাচীন ভারতের আশ্রমিক শিক্ষার ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তাই তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিনিকেতনে রেখে শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

[3] কবিগুরু শান্তিনিকেতনে গুরু ও শিষ্যের মধ্যে মধুর সম্পর্ক গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। তিনি বলতেন, শিক্ষক শ্রদ্ধার সঙ্গে জ্ঞান বিতরণ করবেন আর শিক্ষার্থীরা শ্রদ্ধার সঙ্গে তা আহরণ করবে।

[4] রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে শিক্ষার্থীদের সৃজনমূলক কাজের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। এখানে তিনি বিভিন্ন ধরনের উৎসব পালন করারও ব্যবস্থা করেন। তিনি বলতেন, এসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটবে।

             এই বিদ্যালয়ে গতানুগতিক সময়তালিকার বিশেষ গুরুত্ব ছিল না। শিক্ষার্থীর প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুসারে তা নির্ধারণ করা হত।

শান্তিনিকেতনে ‘বিশ্বভারতী’ প্রতিষ্ঠা : রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করে তাকে বিশ্বজাতির স্টাব্দে মিলনভূমিতে পরিণত করতে চেয়েছিলেন। তিনি বিশ্বভারতীতে বিশ্বধর্ম কালে ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটাতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি এখানে চিন, শুন দুটি জাপান, ইউরোপ, আমেরিকা-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্ডিতদের নিয়ে এসেছিলেন।

শান্তিনিকেতনে প্রকৃতি, মানুষ ও শিক্ষার সমন্বয় ঘটানো :

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে প্রকৃতি, মানুষ ও শিক্ষার সমন্বয় ঘটাতে চেয়েছিলেন। এজন্য শান্তিনিকেতনের ছাত্রছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষের বাইরে প্রকৃতির মধ্যে গাছের তলায় শিক্ষা দেওয়া হত। তা ছাড়া শান্তিনিকেতনের সঙ্গে পাশাপাশি গ্রাম ও তার মানুষদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। তাই শান্তিনিকেতনের শিক্ষা হয়ে উঠেছিল এক মানবতাবোধের শিক্ষা।

উপসংহার : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই শান্তিনিকেতনে ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন ভাবনা শুধু বাংলা বা ভারতে নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে এক দিকচিহ্ন হয়ে আছে। দেশ-বিদেশের বহু ছাত্র ও শিক্ষক এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।

ব্যাখ্যামূলক উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ৮ ): পঞ্চম অধ্যায়ঃ "বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা" প্রশ্ন উত্তর – মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন ২০২২ – Madhyamik History Suggestion 2022

1. বাংলায় ছাপাখানার বিকাশ সম্পর্কে আলোচনা করো।

2. বাংলার মুদ্রণের ইতিহাসে জেমস অগাস্টাস হিকির অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো। এ ব্যাপারে শ্রীরামপুরের মিশনারিদের অবদান আলোচনা করো।

3. ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স (Indian Association for the Cultivation of Science, IACS, 1876)-এর অবদান লেখো।

4. জাতীয় শিক্ষা পরিষদ সম্পর্কে আলোচনা করো।

5. মানুষ, প্রকৃতি ও শিক্ষার সমন্বয় বিষয়ে রবীন্দ্রনাথের চিন্তার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

অথবা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষাদর্শ বিশ্লেষণ করো।

মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন ২০২(2022) | দশম শ্রেণীর ইতিহাস –পঞ্চম অধ্যায়ঃ “বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা”  প্রশ্ন উত্তর | Madhyamik History Suggestion 2022

Madhyamik History Suggestion 2022 ” মাধ্যমিক  ইতিহাস –  পঞ্চম অধ্যায়ঃ “বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট ও পর্যালোচনা” MCQ প্রশ্ন উত্তর  “ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ টপিক মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik / WB Madhyamik / MP Exam / West Bengal Board of Secondary Education – WBBSE Madhyamik Exam / Madhyamik Bengali Suggestion 2022 / Madhyamik Class 10th / Class X / Madhyamik Pariksha) পরীক্ষায় এখান থেকে প্রশ্ন অবশ্যম্ভাবী । সে কথা মাথায় রেখে StudywithGenius.in এর পক্ষ থেকে মাধ্যমিক (দশম শ্রেণী) ইতিহাস পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক প্রশ্নোত্তর এবং সাজেশন (Madhyamik History Suggestion 2022 / West Bengal Board of Secondary Education – WBBSE History Suggestion / Madhyamik Class 10th History Suggestion / Class X History Suggestion / Madhyamik Pariksha History Suggestion / History Madhyamik Exam Guide / MCQ , Short , Descriptive  Type Question and Answer. / Madhyamik History Suggestion 2022 FREE PDF Download) উপস্থাপনের প্রচেষ্টা করা হলাে। ছাত্রছাত্রী, পরীক্ষার্থীদের উপকারে লাগলে, আমাদের প্রয়াস  মাধ্যমিক (দশম শ্রেণী) ইতিহাস পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক প্রশ্নোত্তর এবং সাজেশন সফল হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.