StudyWithGenius

Class 10 Model Activity Task Part 5 New 2021 | দশম শ্রেণী মডেল অ্যাক্টিভিটি | Bengali, English, Physical Science, Life Science, Mathematics, History, Geography

Class 10 All Subject Model Task Part Task:

answer of model activity task class 10, bengali class 10 model activity task, class 10 jeevan vigyan model activity tax, class 10 model activity class bangla part 5, class 10 model activity english part 5, class 10 model activity class geography part 5, class 10 model activity class history part 5, class 10 model activity english part 5, class 10 model activity for geography, class 10 model activity gonit, class 10 model activity itihaas part 5, class 10 model activity life science part 5. class 10 model activity mathematics part 5, class 10 model activity task physical science answer

WBBSE West Bengal Board of Secondary Education Class 10(Madhyamik) All Subject Part 5 Model Activity Task Solution in Bengali . New Model Activity Task of Class 10 August (2nd Series) Answers PDF or Text based answers.

Class 10 Model Activity Task Bengali Part 5

১. কম-বেশি ২০টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো :

১.১ ‘গল্প শুনে খুব গম্ভীর হয়ে গেলেন হরিদা।” – হরিদা কোন্‌ গল্প শুনেছেন? উত্তরঃ বহুরূপী’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হরিদা ছিলেন পেশায় বহুরুপী।

উত্তরঃ হরিদার গম্ভীর হয়ে যাওয়া: লেখক ও তাঁর বন্ধুরা হরিদাকে জানিয়েছিলেন যে, জগদীশবাবুর বাড়িতে এক সন্ন্যাসী সাত দিন ধরে ছিলেন। তিনি সারাবছরে একটি হরীতকী খান। তাঁর বয়স হাজার বছরেরও বেশি। সন্ন্যাসী কাউকেই তাঁর পায়ের ধুলো দেন না। জগদীশবাবু কাঠের খড়মে সোনার বোল লাগিয়ে তাঁর পায়ের কাছে ধরতেই সন্ন্যাসী সেই খড়ম পড়তে গেলে। জগদীশবাবু তাঁর পায়ের ধুলো নিয়েছিলেন। সন্ন্যাসীর এই গল্প শুনে হরিদা গম্ভীর হয়ে গিয়েছিলেন।

 

১.২ ‘বিদায় এবে দেহ, বিধমুখী।’- উদ্ধতাংশে ‘বিধমুখী’ কে?

উত্তরঃ ‘বিধুমুখী’র পরিচয়: চাঁদের মতো সুন্দরী স্ত্রীকে ইন্দ্রজিং বিধুমুখী’ বলে সম্বোধন করেছেন।

 

১.৩ ‘মাভৈ: মাভৈ:’ – এমন উচ্চারণের কারণ কী?

উত্তরঃ ‘মাভৈঃ’ কথাটির অর্থ ভয় কোরো না। জড়তাগ্রস্ত সমাজকে নাড়া দিলে তবেই তার মধ্যে লুকানো প্রাণ জেগে ওঠে। রুদ্ররূপী শিৰ ধ্বংসের ত্রিশূল হাতে আবির্ভূত হন। তার আগমনে জগতে তৈরি হয় প্রলয়ের পরিবেশ। ভীতসশ্বস্ত হয়ে পড়ে জীবকু। কিন্তু এই ধ্বংসের মধ্যেই আছে সৃষ্টির আশ্বাস এই কারণেই কৰি মাভৈঃ মাভৈঃ’ বলে উল্লাস প্রকাশ করেছেন।

 

১.৪ ‘… দুজন বন্ধু নোক আসার কথা ছিল,’ – বন্ধুদের কোথা থেকে আসার কথা ছিল?

উত্তরঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবী গল্পে উল্লেখিত অংশে উদ্ধত লাইনটি আমরা দেখতে পাই। এনাঞ্জাং থেকে আসার কথা ছিল

২. প্রসঙ্গ নির্দেশসহ কম-বেশি ৬০টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো :

২.১ ‘অ্যাঁ,? ওটা কি একটা বহুরূপী?

– প্রশ্নটি কাদের মনে জেগেছে? তাদের মনে এমন প্রশ্ন জেগেছে কেন?

উত্তরঃ বহুরূপী’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হরিদা ছিলেন পেশায় বহুরুপী।

তিনি এমন ভাবে বহুরূপী সাজতেন যে, লোকের বোঝার সাধ্য ছিল না ইনি একজন বহুরূপী, চরিত্রের ঢঙে নিজেকে সাজিয়ে তুলতেন নিপুণভাবে। উপরিউক্ত প্রশ্নটি যারা বহুরূপী সেজে হরিদা কে চিনতে পারতো, এবং যারা প্রথম দেখছে তাদের মনেই প্রশ্নটি জেগেছে। মনের ভিতর প্রশ্ন জেগে ওঠার কারণ হলো হরিদার নানান। ছদ্মবেশ ধারণ যেমন উন্মাদ পাগল, রূপসী বাইজি, পুলিশ, সন্ন্যাসী,প্রভৃতির পেশায় বহুরূপী সেজে অর্থ উপার্জন করতেন। তার প্রতিটি রূপধারণেই আলাদা আলাদা প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে । এই চরিত্র গুলিকে খুঁজে নিয়ে নিপুণভাবে তার অভিনয় করা একেবারেই সহজ ব্যাপার নয়, এই কারণে তাদের মনে এমন প্রশ্ন জেগেছে।

২.২ ‘নাদিলা কর্পূরদল হেরি বীরবরে মহাগর্বে।’- ‘কবূরদল’ শব্দের অর্থ কী? উদ্বুধতাংশে ‘বীরবর’ কোথায় উপনীত হলে এমনটি ঘটেছে?

উত্তরঃ করদল’-এর পরিচয় লকার রাক্ষসবাহিনীকে ‘করদল বলা হয়েছে।

পুত্র বীরবাহুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে লকেশর রাবণ যুদ্ধের সাজে সেজেছেন। তার সৈন্যবাহিনীও যুদ্ধের উন্মাদনায় মেতে উঠেছে। সেই সময় সহোদর বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ শুনে ইন্দ্রজিৎ সেখানে আসেন। ইন্দ্ৰজিৎকে দেখে সৈন্যরা উল্লসিত হয়। কারণ ইন্দ্রজিতের রণকৌশল এবং বীরত্ব সম্পর্কে তারা অবহিত।

স্বয়ং দেবরাজ ইন্দ্রকে তিনি পরাজিত করেছেন। লকার শ্রেষ্ঠতম যোদ্ধা তিনি। তাই তাকে পেয়ে বসবাহিনী ভরসা পেয়েছে এবং উৎসাহ ও গর্ববোধ করেছে।

২.৩ ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর।’ – কার জয়ধ্বনি করতে কবির এই আহ্বান? কেন তার ‘জয়ধ্বনি’ করতে হবে?

উত্তরঃ যাদের উদ্দেশে এই আহ্বানপ্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি নজরুল ইসলাম দেশবাসীর উদ্দেশে এই আহ্বান জানিয়েছেন।

‘প্রলয়োল্লাস‘ কবিতায় মোট উনিশবার “তোরা সব জয়ধ্বনি কর”এই আহ্বানসূচক পঙক্তিটি উচ্চারিত হয়েছে যা বুঝিয়ে দেয় এই পঙক্তিটিতেই কবি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। আসলে ‘প্রলয়োল্লাস’ হল ধ্বংসের মধ্য দিয়ে সৃষ্টির বন্দনা। স্বাধীনতাজি যে তরুণের দল তাদের দুর্জয় সাহস আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি দিয়ে পরাধীন এবং সামাজিক বৈষম্যের অবসান ঘটাতে চায় কবি তাদেরই জয়ধ্বনি করতে বলেছেন। কবির কথায় তারা হল অনাগত প্রলয়-নেশার নৃতা পাগল, কিন্তু তারাই সিন্ধুপারের সিংহদ্বারে আঘাত করে নতুন চেতনা,বিপ্লবের বার্তাকে বয়ে আনে। অসুন্দরকে দূর করতে তারা আপাত ভয়ংকরের বেশ ধরে। এর মধ্য দিয়ে পৃথিবীতে নবপ্রাণের প্রতিষ্ঠা ঘটে। এ হলো বিপ্লবী যুব শক্তির প্রতি কবির মুগ্ধ অভিবাদন।

২.৪ কিন্তু ইহা যে কতোবড়ো ভ্রম…’- কোন ভ্রমের কথা এক্ষেত্রে বলা হয়েছে?

উত্তরঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবী গল্পে উল্লেখিত অংশে উদ্ধত লাইনটি আমরা দেখতে পাই। অপূর্ব ছিল ট্রেনের প্রথম শ্রেণির যাত্রী। তার কামরায় অন্য কোনো লোক ছিল না। সন্ধ্যা উত্তীর্ণ হলে অপূর্ব ঈশ্বর উপাসনা শেষ করে। তারপর সে রাতের খাওয়াদাওয়া সেরে হাত-মুখ ধুয়ে সুস্থমনে শষ্যাগ্রহণ করে।

অপূর্ব আশা করেছিল যে প্রথম শ্রেণির যাত্রী হওয়ায় সকাল পর্যন্ত কেউ তার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাবে না। কিন্তু পুলিশের লোকরা রাত্রে বার-তিনেক ঘুম ভাঙিয়ে তার নাম-ঠিকানা লিখে নেয়। এইভাবে ঘুমের। ব্যাঘাত ঘটানোয় অপূর্ব প্রতিবাদ করে। তখদা সাব ইনস্পেকটরের কাছে শুনতে হয় আবার অপূর্ব যখন নিজেকে প্রথম শ্রেণির যাত্রী বলে এবং তাই তার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানো যায় না বলে মন্তব্য করে তখন পুলিশ অফিসারটি তাকে বলেন যে ইচ্ছা করলে সে তাকে নামিয়েও দিতে পারে। ভারতীয়দের অপমানের আরো একটি দৃষ্টান্ত অপূর্বর অভিজ্ঞতায় যুক্ত হয়।

 

৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:

 

৩.১ ‘বড়ো’ চমৎকার আজকে এই সন্ধ্যার চেহারা।’ ‘বহুরূপী’ গল্প অনুসরণে উক্ত সন্ধ্যার দৃশ্য বর্ণনা করো।

উত্তর: বহুরূপী আসলে হরিদা নামে এক হতদরিদ্র মানুষের বাস্তব জীবনযাপনের কাহিনি। ঘড়ির কাঁটার সামনে সময় বেঁধে দিয়ে আর নিয়ম করে একই ধরনের কাজ করা হরিদার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তিনি মাঝে মাঝে বহুরূপী সেজে যেটুকু রোজগার করেন, তাতেই তাঁর কোনোরকমে দিন চলে যায়। পেশা হিসেবে বহুরূপী সাজাকে বেছে নেওয়ার জন্য গল্পের নাম বহুরূপী। কিন্তু তার মধ্যে জীবনের রাঞ্জনাসূচক বিশেষ ভাবসত্যও পাওয়া যায়।

হরিদা যখন বিরাগী সেজে জগদীশবাবুর যাবতীয় প্রলোভন এবং অর্থ তুচ্ছ জ্ঞান করেছেন, তখনই কাহিনিটি ছোটোগল্পের মর্যাদা পেয়ে যায়। বিভিন্ন চরিত্রের বেশ ধারণ করে পয়সা উপার্জন করাই হরিদার পেশা। তবু তিনি জগদীশবাবুর টাকার থলি স্পর্শ করেননি। করলে ছোটোগল্পের ব্যঞ্জনা নষ্ট হত। করেননি বলেই পাঠকমন গল্পের উপসংহারে এসে অতৃপ্তি আর কৌতুহলে ঘুরপাক খেতে থাকে। এই ধরনের পরিণতিই আধুনিক ছোটোগল্পের বিশেষত্ব। বহুরূপী গল্পের মধ্যে দিয়ে সন্ধ্যার এই দৃশ্যটি খুব সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে।

৩.২ ছিঁড়িলা কুসুমদাম রোষে মহাবলী’ – ‘মহাবলী’ কে? তিনি রুষ্ট কেন?

উত্তরঃ মহাবলীর পরিচয়। এখানে মহাবলী’ বলতে বীর ইন্দ্রজিৎকে বোঝানো হয়েছে। রামচন্দ্র পুনর্জীবন লাভ করে ইন্দ্রজিতের ভাই বীরবাহ্ণকে বধ করেছেন, ফলে পিতা রাবণের এরূপ শোকাকুল অবস্থার সময় তিনি প্রমোদবিলাসে মত্ত—এই কথা মনে করে মেঘনাদ নিজেকে ধিক্কার দিয়েছেন। হাতের ফুলরাশি ছিড়ে ফেলেছেন, সোনার বালা দূরে ফেলে দিয়েছেন, পায়ের কাছে পড়ে রয়েছে কুগুল। এভাবে ক্রোধের মধ্য দিয়ে ইন্দ্রজিৎ রাক্ষসকুলের অপবাদ দূর করার জন্য সপথ গ্রহণ

৩.৩ প্রলয় বয়েও আসছে হেসে মধুর হেসে।’- কে আসছেন? তার হাসির কারণ বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ আলোচ্য উদ্‌ধতিতে সরূপী শিবের আগমনের কথা বলা হয়েছে।

শিব রক্ষক ও সংহারক। সংহারকরূপী শিব ভয়ংকর। নি তখন প্রলয়দেবতা। তার জটাভার দুলে উঠলে সারা পৃথিবী তসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। যা-কিছু জরাজীর্ণ, অসুন্দর, তা সবই তিনি পাগলা জালার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে ধ্বংস করে। কিন্তু এই ধ্বংসের পিছনে কিয়ে থাকে নতুন সৃষ্টির আশ্বাস। এই কারণেই প্রলয় ধ্বংস বয়ে নিলেও আপন সৃষ্টির আনন্দে মহাকালের মধুর হাসি ধ্বনিত হয়।

৩.৪ ‘বাবুজি, এসব কথা বলার দুঃখ আছে।’- বক্তা কে? কোন্ কথার পরিপ্রেক্ষিতে সে একথা বলেছ?

উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘পথের দাবী’ গদ্যাংশ থেকে গৃহীত উর্দুধতিতে বক্তা বাবুজি’ বলতে অপূর্বকে বুঝিয়েছে। উক্তিটি করেছে রামদাস তলওয়ারকর। রামদাসের সঙ্গে কথোপকথনকালে অপূর্ব জানায় যে, পুলিশকর্তা নিমাইবাবু তার কাকা এবং তার শুভাকাঙ্ক্ষী হলেও, ভারতবর্ষের মুক্তিকামী বিপ্লবীরা তার থেকে অনেক বেশি আপনার। পরাধীন ভারতবর্ষের ব্রিটিশের দাসত্ব করেন নিমাইবাবু।

৪. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

 

৪.১ ‘এজন্য চরিত্র চাই, গোঁইয়ার রোখ্ চাই’। – ক্ষিতীশ সিংহ কীভাবে কোনির ‘চরিত্র’ এবং ‘গোয়ার রোখ্’ তৈরিতে সচেষ্ট হয়েছিলেন?

উত্তরঃ গঙ্গার ঘাটে বারুণী তিথিতে দেবতার উদ্দেশে উৎসর্গ করা আম দখলের ঘটনা থেকেই ক্ষিতীশ কোনিকে আবিষ্কার তরি করেছিলেন। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তারপর একদিন সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের তড়ি ঘণ্টা হাঁটা প্রতিযোগিতার শেষে কোনিকে কাছে পেয়ে সাঁতার শেখানোর প্রস্তাব নিয়ে হাজির হলেন তিনি। কোনি সেই প্রস্তাব এককথায় বাতিল করে দিলেও ক্ষিতীশ হাল ছাড়েননি। তিনি মনে মনে ঠিক করে নেন যে, কোনিকে তিনি নামকরা সাঁতারু তৈরি করবেনই। দায়িত্বগ্রহণ; কোনির বাড়ি গিয়ে ওদের পরিবারের খোঁজখবর নিয়ে ক্ষিতীশ জানতে পারেন ওরা খুব গরিব। তাই নিজেই তিনি কোনির সব দায়িত্ব নিলেন। জুপিটার ছেড়ে অ্যাপোলো ক্লাবে এলেন শুধ কোনির জন্যই। নিজের সংসার পরিবারের কথা। ভুলে কোনিকে নিয়েই চলল তার প্রতিজ্ঞাপূরণের কাজ। কঠোর অনুশীলন কোনিকে কঠোর অনুশীলনের মধ্যে রেখে চ্যাম্পিয়ন বানানোই ছিল ক্ষিতীশের একমাত্র লক্ষ্য।

ক্ষিতীশ নিজেই কোনির জন্য উপযুক্ত খাদ্যসামগ্রীর ব্যবসা লেন। ধীরে ধীরে কোনিও সাঁতারকে ধ্যানজ্ঞান মনে করতে মিহল ত্রিনফলতা তানি একসময় যাবতীয় প্রতিকূলতা অতিক্রম করে কোনি মাদ্রাজে অনুষ্ঠিত জাতীয় সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপে ১x১০০ মিটার রেলিতে প্রথম হয় তার নিজের এবং খেপি সে স্বপ্ন পূরণ করে।

 

৪.২ ‘ক্ষিদ্দা, এবার আমরা কী খাব?’ – উদ্‌ধতিটির আলোকে কোনির যন্ত্রণাবিদ্ধ জীবনযাত্রার পরিচয় দাও?

উত্তরঃ গঙ্গার ঘাট থেকে মাদ্রাসায় জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় ভিকট্রি স্ট্যান্ড পর্যন্ত কোনির যে যাত্রা ক্ষিপ্লাই কোনির প্রথম ও প্রধান নির্দেশক ও অনুপ্রেরণা। অনুশীলনেরস্ট ব্যবস্থা: ক্ষিতীশ সিংহ কোনিকে সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন করানোর জন্য।র কঠোর অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছিলেন। এই অনুশীলনে সাঁতারের বিভিন্ন কৌশল ক্ষিতীশ কোনিকে শিখিয়েছিলেন।

প্রতিদিন সকাল সাড়ে ছটা থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত কোনির প্র্যাকটিস চলত। ছকে বাঁধা জীবন; ক্ষিতীশ কোনির জীবনযাত্রাকে একটা ছকে বেঁধে দিয়েছিলেনন কোনি কখন কী কী খাবে সেই ব্যাপারেও ক্ষিতীশ নিয়ম জারি করেছিলেন। কোনিকে প্রতিদিন দুটো ডিম, দুটো

Model Activity Task Class 10 English Part 5

Model Activity Task Class 10 Subject- English  Part- 5

Read the text given below and answer the questions that follow:

Once I crept in an oakwood – I was looking for a stag,

I met an old woman there all knobbly stick and rag.

She said: ‘I have your secret here inside my little bag.’

Then she began to cackle and I began to quake.

She opened up her little bag and I came twice awake –

Surrounded by a staring tribe and me tied to a stake.

They said: “We are the oak-trees and your own true family.

We are chopped down, we are torn up, you do not blink an eye.

Unless you make a promise now – now you are going to die.’

Activity 1

 

Write the correct alternative to complete the following sentences:

 

i) The old woman was all knobbly stick and _____ .

a) gold

b) rag

c) silver

d) diamond

Answer: b) rag. 

 

ii) The old woman opened a little _____ .

a) purse

b) palm

c) bag

d) door

Answer: c) bag. 

 

iii) The bag contained the poet’s _____.

a) money

b) secret

c) clothes

d) pen

Answer: b) secret. 

 

 

Activity 2

 

 

Fill in the blanks by choosing the correct alternative given in brackets:

 

A kite-flying festival was __________ (organise /being organised/organised) on last Sunday to__________ (promote/promoted/promoting) the use of cotton strings which __________ (is/were/are) considered for birds.

 

Answer: organised, promote, are

A kite-flying festival was organised on last Sunday to promote the use of cotton strings which are considered for birds.

 

Activity 3

 

Describe in about 100 words the process of making a statue. Use the following points:

 

Plaster-of-paris mixed with warm water – cast of statue made with wood – mixture poured in cast – left for the mixture to harden – cast carefully removed – statue is taken out

 

The Process Of Making A Statue

 

Warm water is collected in a container at first. The mixture is then made by adding plaster of Paris into warm water. It’s best if the mixture isn’t too thick. After that, a wood statue cast is created. The wood cast is a work of art in itself. The mixture in the container is then carefully poured into the cast, and the cast is then solidified in a place with a suitable hot conditions. When the cast becomes too hard to bear, it is carefully removed with the appropriate tools. After that, the statue is removed and painted. A statue is ready for display in this form.

Class 10 model activity task Part 5 Life Science 2021 new

দশম শ্রেণী জীবন বিজ্ঞান মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক 2021

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক 2021 পার্ট 5

জীবন বিজ্ঞান

দশম শ্রেণি

. প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে তার ক্রমিক সংখ্যাসহ বাক্যটি সম্পূর্ণ করে লেখো :

 

১.১ পাতার মাধ্যমে প্রাকৃতিক অঙ্গজ বংশবিস্তার করে যে উদ্ভিদ সেটি নির্বাচন করো –

(ক) মিষ্টি আলু

(খ) কচুরিপানা

(গ) আদা

(ঘ) পাথরকুচি

উত্তর: পাতার মাধ্যমে প্রাকৃতিক অঙ্গজ বংশবিস্তার করে যে উদ্ভিদ সেটি হলো : () পাথরকুচি

 

১.২ সংকরায়ণ পরীক্ষার জন্য মেন্ডেলের মটরগাছ বেছে নেওয়ার সঠিক কারণটি স্থির করো –

(ক) মটর গাছের বংশবিস্তারে অনেক সময় লাগে

(খ) মটর গাছে বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি খুবই কম

(গ) মটর ফুল স্বপরাগী হওয়ায় বাইরে থেকে অন্য চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা কম

(ঘ) মটর গাছের ফুলগুলিতে কৃত্রিমভাবে ইতর পরাগযোগ ঘটানো সম্ভব নয়।

উত্তর: সংকরায়ণ পরীক্ষার জন্য মেন্ডেলের মটরগাছ বেছে নেওয়ার সঠিক কারণটি হলো : () মটর ফুল স্বপরাগী হওয়ায় বাইরে থেকে অন্য চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা কম

. একটি শব্দে বা একটি বাক্যে উত্তর দাও :

 

. মানব বিকাশের বয়ঃসন্ধি দশার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো |

উত্তরমানব বিকাশের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধির সময়কাল হল 12 থেকে 20 বছর | এই সময়কালে স্ত্রী ও পুরুষের নানারকম দৈহিক ও মানসিক বিকাশ লক্ষ্য করা যায় | এই সময় মানব দেহে মুখ্য জনন অঙ্গের বৃদ্ধি সম্পূর্ণ হয়, জনন অঙ্গের অন্তঃক্ষরণধর্মী কাজ ও গ্যামেট উৎপাদন শুরু হয় এবং স্ত্রী ও পুরুষ দেহে গৌণ যৌন লক্ষণের পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটে |

 

. বিসদৃশ শব্দটি বেছে লেখো :

 

মটরের সবুজ রঙের বীজ/ মটরের সবুজ রঙের ফল/ গিনিপিগের সাদা রঙের লোম/ গিনিপিগের মসৃণ লোম

উত্তর: মটরের সবুজ রঙের ফল

 

. নীচে সম্পর্কযুক্ত একটি শব্দ জোড় দেওয়া আছে। প্রথম জোড়টির সম্পর্ক বুঝে দ্বিতীয় জোড়টির শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাও :

 

ব্যবহার অব্যবহারের সুত্র : ল্যামার্ক :: প্রাকৃতিক নির্বাচন :

উত্তর: চার্লস ডারউইন

. দুটি বা তিনটি বাক্যে উত্তর দাও :

 

. স্বপরাগযোগের একটি সুবিধা একটি অসুবিধা উল্লেখ করো।

উত্তর:

স্বপরাগযোগ এর সুবিধা:

  • স্বপরাগযোগ এর জন্য কোন বাহকের প্রয়োজন হয়না এবং একই প্রজাতির ফুলে পরাগযোগের জন্য প্রজাতির বৈশিষ্ট্য রক্ষা পায় ও প্রজাতির মধ্যে জনিতৃ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়।

স্বপরাগযোগ এর অসুবিধা:

  • নতুন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন উদ্ভিদ উৎপন্ন হয় না এবং অপত্য উদ্ভিদের অনাক্রম্যতা হ্রাস পায়

.একসংকর জননে F2 জনুর ফিনোটাইপিক অনুপাত সবসময় 3:1 নাও হতে পারে” – উদাহরণের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো।

 

উত্তরঃ

অসম্পূর্ণ প্রকটতার ক্ষেত্রে একসংকর জননের F2 জনুর ফিনোটাইপ অনুপাত সব সময় 3:2

যেমন সন্ধ্যামালতী উদ্ভিদের একসংকর জনন একটু ফিনোটাইপ অনুপাত সব সময় 1:2:1 হয় এবং জিনোটাইপ অনুপাতও 1:2:1 হয়।

সুতরাং, একসংকর জননে F2 জনুর ফিনোটাইপিক অনুপাত সবসময় 3:1 নাও হতে পারে।

 

. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও :

 

. ডারউইনের মতবাদ অনুসারেযোগ্যতমের উদ্বর্তনকীভাবে ঘটে ব্যাখ্যা করো।শিম্পাঞ্জিরা বিভিন্নভাবে তাদের সমস্যার সমাধান করে” – বক্তব্যটির যথার্থতাউদাহরণের সাহায্যে বিশ্লেষণ করো।

 

উত্তরঃ ডারউইনের মতে জীবন সংগ্রামে লিপ্ত জীব গুলির মধ্যে যাদের দেহে ছোট ছোট সহায়ক অভিযোজন মূলক বৈশিষ্ট্য এসে যায় তারাই জীবন সংগ্রামে জয়ী হয় এবং বেঁচে থাকার অধিকারী হয় অন্যরা কালক্রমে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় জীবন সংগ্রামের এই উত্তরণকে যোগ্যতমের উদবর্তন বলা হয়।

 

শিম্পাঞ্জিরা বিভিন্নভাবে তাদের সমস্যার সমাধান করেঃ

 

  1. ঔষধের ব্যবহারঃ শিম্পাঞ্জি পরজীবী দ্বারা আক্রান্ত হলে ঔষধি গাছের পাতা খায় ফলে পরজীবীদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।

 

  1. হাতুড়ি বা নেহাই এর ব্যবহারঃ এরা শক্ত কাঠ বা পাথরের টুকরোকে হাতুড়ি বা নেহাই এর মত ব্যবহার করে বাদামের খোসা ছড়ায়।

 

  1. উইপোকা ধরে খাওয়াঃ এরা উইপোকার সন্ধান পেলে গাছের শাখা দিয়ে একটি লাঠির মত দণ্ড তৈরি করে সূচালো প্রান্তটিকে ঢিবির মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। উইপোকাগুলি তখন লাঠি বেয়ে সারিবদ্ধ ভাবে বাইরে বেরিয়ে আসে। শিম্পাঞ্জি তখন মহা আনন্দে তার ভোজ সারে।

 

  1. ভাবনা চিন্তা করাঃ শিম্পাঞ্জিরা মানুষের মত গালে হাত দিয়ে ভাবনা-চিন্তা করে এবং মানুষের মতোই দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ, খুশি প্রভৃতি অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে।

 

  1. মাতৃস্নেহঃ এরা সব সময়ই শিশু শিম্পাঞ্জিকে আগলে রাখে ঠিক যেভাবে মা তার সন্তানকে আঁকড়ে ধরে থাকে।

1 thought on “Class 10 Model Activity Task Part 5 New 2021 | দশম শ্রেণী মডেল অ্যাক্টিভিটি | Bengali, English, Physical Science, Life Science, Mathematics, History, Geography”

Leave a Comment

Your email address will not be published.