StudyWithGenius

Class 10 Model Activity Task Part 6 September New 2021 | দশম শ্রেণী মডেল অ্যাক্টিভিটি | Bengali,English,History Geography

Class 10 All Subject Model Activity Task Part 6

class 10 model activity task part 6, class 10 model activity task part 6 answer, class 10 model activity task part 6 bengali, class 10 model activity task part 6 chemistry, class 10 model activity task part 6 download, class 10 model activity task part 6 english, class 10 model activity task part 6 full, class 10 model activity task part 6 geography, class 10 model activity task part 6 grammar, class 10 model activity task part 6 history, class 10 model activity task part 6 in bengali, class 10 model activity task part 6 in English, class 10 model activity task part 6 mathematics, class 10 model activity task part 6 of science, class 10 model activity task part 6 online, class 10 model activity task part 6 physics, class 10 model activity task part 6 wbbse, class 10 model activity task part 6 west bengal board, class 10 model activity task part 6 with answers

WBBSE West Bengal Board of Secondary Education Class 10 All Subject Part 6 Model Activity Task Solution in Bengali . New Model Activity Task of Class 10 September Answers PDF or Text based answers.

Class 10 Model Activity Task Part 6
SWG Academy

Class 10 Model Activity Task Bengali Part 6 September

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক

দশম শ্রেণি

বাংলা

১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

১.১ ‘জগদীশবাবু যে কী কাণ্ড করেছেন, শোনেননি হরিদা?’ জগদীশবাবু কে? কাণ্ডটি কী?
উত্তর : বিশিষ্ট গল্পকার সুবোধ ঘোষ রচিত “বহুরূপী” গল্পের অন্যতম পার্শ্বচরিত্র হলেন জগদীশবাবু – তিনি ধর্মপ্রাণ ও সমৃদ্ধশালী ব্যক্তি হলেও যথেষ্ট কৃপণ ছিলেন।
জগদীশবাবুর বাড়িতে এক হিমালয়বাসী সন্ন্যাসী এসে সাতদিন ছিলেন। রাড়িতে আগত সেই ‘উঁচু দরের’ সন্ন্যাসী কাউকে নিজের পদধূলি সংগ্রহ করতে দিতেন না। কিন্তু ধর্মপ্রাণ জগদীশবাবু সন্ন্যাসীকে সোনার ব্রোল দেওয়া খড়ম পরিয়ে সুকৌশলে ‘দুর্লভ’ সেই পদধূলি সংগ্রহ করেছিলেন এবং সন্ন্যাসীকে বিদায় দেওয়ার সময় একশো টাকা প্রণামিও দিয়েছিলেন। প্রদত্ত অংশে জগদীশবাবুর এই ‘কান্ড’টির কথা বলা হয়েছে।

১.২ ‘খুবই গরিব মানুষ হরিদা।’হরিদার পরিচয় দাও। তাঁর দারিদ্র্যের ছবি ‘বহুরূপী’ গল্পে কীভাবে প্রতিভাসিত হয়েছে?
উত্তর : জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সুবোধ ঘোষের লেখা ‘বহুরূপী’ গল্পের প্রধান চরিত্র হরিদা I তিনি খুবই গরিব মানুষ। পেশাগত দিক থেকে তিনিএকজন বহুরূপী।
গল্পের নায়ক হরিদা পেশায় বহুরূপী। কিন্তু বহুরূপী সেজে তার অর্থ উপার্জন তেমন হয় না। যদিও হরিদা শিল্পীসুলভ নেশার টানে কখনও পাগল, বাউল বা কাপালিক সাজেন, কখনও বা সাজেন বুড়ো কাবুলিওয়ালা, পুলিশ বা রূপসি বাইজি। পরিচিতরা তার এই বহুরূপীর সাজে মুগ্ধ হলে এক আনা বা দু-আনা বকশিশ দেয়। অপরিচিতরা বিরক্তির সঙ্গে হাতে তুলে দেয় দুটো একটা পয়সা। সপ্তাহের একটা দিনের এই সামান্য রোজগারে হরিদার সংসারের দুঃসহ অভাব ঘোচে না। সারা সপ্তাহের ক্ষুধানিবৃত্তির অন্নসংস্থান হয় না। তাই হরিদার উনানের হাঁড়িতে অনেক সময় শুধু ফেলার জল ফোটে, ভাত ফোটে না I

১.৩ ‘কি হেতু, মাতঃ, গতি তব আজি এ ভবনে?’ – বক্তা কাকে ‘মাতঃ’ সম্বোধন করেছেন? তিনি এই প্রশ্নের কী উত্তর দিয়েছেন?
উত্তর : কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ গ্রন্থের অন্তর্গত ‘অভিষেক’ কাব্যাংশ থেকে নেওয়া প্রশ্নোক্ত উদ্ধৃতিটির বক্তা হলেন ইন্দ্রজিৎ। তিনি প্রভাষা রাক্ষসীর ছদ্মবেশে প্রমোদ উদ্যানে আগতা দেবী লক্ষ্মীকে এ কথা বলেছেন।
উদ্দিষ্ট প্রভাষারূপী ছদ্মবেশী শ্রীলক্ষ্মী রাম-রাবণের মহাসংগ্রামে আগমনের কারণ মেঘনাদের বৈমাত্রেয় ভ্রাতা বীরবাহুর মৃত্যুর দুঃখজনক সংবাদ এবং লঙ্কেশের সমরাভিযানের উদ্যোগের বার্তা দিয়েছেন I

১.৪ এ মায়া, পিতঃ, বুঝিতে না পারি!’ বক্তা কে? কোন মায়া তার বোধের অগম্য ?
উত্তর : মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর অন্তর্গত ‘অভিষেক’পাঠ্যাংশে প্রদত্ত অংশটির বক্তা হলেন রাবণনন্দন ইন্দ্রজিৎ রা মেঘনাদ।
বীরশ্রেষ্ঠ মেঘনাদ নিশারণে পরাজিত এবং নিহত রামচন্দ্রের পুনর্জীবন লাভের মায়াবী ঘটনা বুঝে উঠতে পারেননি। মেঘনাদ দু-বার রামচন্দ্রকে পরাজিত ও নিহত করেছেন। কিন্তু দৈববলে বলীয়ান রাঘব দৈবী আশীর্বাদে বেঁচে উঠে বারবার স্বর্ণলঙ্কাকে আক্রমণ করেছেন। ‘মায়াবী-মানব সীতাপতি’র এই পুনর্জীবন লাভ মেঘনাদের কাছে ‘মায়া’ বলে মনে হয়েছে।

১.৫ ‘ভদ্রতার অযোগ্য তোমরা’– কার প্রতি এরূপ মন্তব্য? বক্তা কোন পরিস্থিতিতে মন্তব্যটি করেছেন?
উত্তর : প্রখ্যাত নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাট্যাংশে মুরশিদাবাদের নবাব সিরাজদ্দৌলা, তাঁর দরবারে উপস্থিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতিনিধি ওয়াটসের উদ্দেশে প্রশ্নোঘৃত কথাটি বলেছেন।
বণিকের ছদ্মবেশে আগত ইংরেজ ক্রমাগত শক্তি প্রদর্শনে ভারতকে পরিণত করতে চায় তাদের উপনিবেশে। অন্তর্দ্বন্দ্বের সুযোগ নিয়ে এদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে হস্তক্ষেপ করতে শুরু করে তারা। ইংরেজ আগ্রাসনে বীতশ্রদ্ধ হয়ে বাংলার তৎকালীন নবাব সিরাজ ইংরেজ দমনে তাদের প্রধান বাণিজ্যঘাঁটি কলকাতা দখল করেন। প্রতিশোধস্পৃহায় ইংরেজরা প্রতিযুদ্ধে উদ্যত হয় এবং অবশেষে উভয়পক্ষে স্বাক্ষরিত হয় ‘আলিনগরের সন্ধি’। সন্ধির শর্তরক্ষার জামিনস্বরূপ ওয়াটসকে মুরশিদাবাদে রাখা হয়। কিন্তু ঘটনাচক্রে ওয়াটসকে লেখা ব্রিটিশ অ্যাডমিরাল ওয়াটসনের গোপন পত্র নবাবের হস্তগত হলে সিরাজ জানতে পারেন যে, লর্ড ক্লাইভের নেতৃত্বে এবং ওয়াটসনের উদ্যোগে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ইতিমধ্যেই গোপনে সৈন্যসমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ক্লাইভের পরিকল্পনামাফিকই তারা সন্ধিভঙ্গে যুদ্ধযাত্রায় উদ্যত; এমনকি ব্রিটিশ প্রতিনিধি ওয়াটস নবাব-বিরোধী এই ষড়যন্ত্রের অংশীদার। তার প্ররোচনায় সেদিন সভাসদেরাও নবাবের বিরূপ। ইংরেজের স্পর্ধা, ঔদ্ধত্য এবং দুরভিসন্ধিতে ক্ষুব্ধ নবাবের ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে প্রশ্নোধৃত অংশে।

১.৬ “মনে হয়, ওর নিশ্বাসে বিষ, ওর দৃষ্টিতে আগুন, ওর অঙ্গ সঞ্চালনে ভূমিকম্প। – উদ্ধৃতিটির আলোকে ঘসেটি বেগমের চরিত্রবৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উত্তর : শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের লেখা ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাট্যাংশে ঘসেটি বেগম চরিত্রটি এক স্বার্থান্বেষী, প্রতিহিংসাপরায়ণা, কূটনারী চরিত্র হিসেবে প্রতিভাত হয়েছে। নবাব আলিবর্দি খাঁর জ্যেষ্ঠা কন্যা মেহেরুন্নিসা ওরফে ঘসেটি বেগম ছিলেন সম্পর্কে সিরাজের মাসি। ঘসেটি চেয়েছিলেন আলিবর্দির অবর্তমানে বাংলার মসনদে বসবেন তার স্বামী। কিন্তু স্বামীর অকালমৃত্যুতে তার সে ইচ্ছাপূরণ হয়নি। অন্যদিকে তার পুত্রেরও মসনদপ্রাপ্তি অধরাই থেকে যায়। বোন আমিনার ছেলে সিরাজ মসনদে অধিষ্ঠিত হলে ঘসেটি বেগম ক্রুদ্ধ ও হিংস্র হয়ে ওঠে এবং সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
প্রতিহিংসাপরায়ণা : ঘসেটি সিরাজের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ও অভিসম্পাত করেছে কিন্তু রাজনৈতিক কারণেই সিরাজ ঘসেটিকে গৃহবন্দি করে রেখেছিলেন। তাতে ঘসেটি আরও প্রতিহিংসাপরায়ণা হয়ে ওঠে। ঘসেটির মুখেই সেই প্রতিহিংসার কথা প্রকাশ পায়–“আমার রাজ্য নাই, তাই আমার কাছে রাজনীতিও নাই আছে শুধু প্রতিহিংসা।” এই প্রতিহিংসা তার পূর্ণ হবে সেইদিন যেদিন সিরাজের প্রাসাদ অপরে অধিকার করবে, তাঁকে সিংহাসন থেকে ঠেলে ফেলে শওকতজঙ্গের মতো কেউ হত্যা করবে। সিরাজ-বিরোধী ষড়যন্ত্রে সে ছিল প্রধান ব্যক্তি।
দেশদ্রোহী : ঘসেটি চেয়েছিল অপুত্রক আলিবর্দির অবর্তমানে সিংহাসনের অধিকার পাবে তার স্বামী, তা না হলে পালিত পুত্র শওকতজঙ্গের সম্ভাবনাও যখন সিরাজের কারণে অসম্ভব হয়, তখন নবাব-বিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত হয়ে, ইংরেজ তোষণে বাংলার পতন ডেকে আনতেও পিছপা হয়নি সে।
অমানবিক: শুধুমাত্র রাজ্যলোভে সন্তানতুল্য সিরাজের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে ঘসেটি। এই চরিত্রে নারীসুলভ সুকুমার মনোবৃত্তি লুপ্ত হয়ে কর্কশ নির্মমতা প্রকাশ পেয়েছে। ঘসেটির সঙ্গে থাকতে লুৎফ্ফার ভয় হয়। “মনে হয়, ওর নিশ্বাসে বিষ, ওর দৃষ্টিতে আগুন, ওর অঙ্গ সঞ্চালনে ভূমিকম্প!” নবাবের সকল চেষ্টার বিরুদ্ধে প্রধান বিদ্রোহিণী ঘসেটি বেগম।
স্বার্থান্বেষী : স্নেহময়ী নারীর কোনো স্বভাববৈশিষ্ট্য ঘসেটির মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই সে মানবী নয়, দানবী। সিরাজ তাকে মায়ের সম্মান দিয়েছিলেন কিন্তু ঘসেটির মধ্যে মায়ের স্নেহ ছিল না। ছিল তীব্র প্রতিহিংসার দহনজ্বালা। এক কুচক্রী স্বার্থান্বেষী, প্রতিহিংসাপরায়ণা কূট নারী হিসেবেই নাট্যাংশে ঘসেটির উপস্থিতি। ঘসেটির চরিত্রে যুগোপযোগিতা ও বাস্তবতার প্রমাণ এই যে, সিরাজের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে সে নিজের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার পথকে প্রশস্ত করেছিল।

১.৭ ‘আলো তার ভরবে এবার ঘর!’- কোন আলোয় ঘর ভরে উঠবে?
উত্তর : কাজী নজরুল ইসলামের লেখা ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতা থেকে গৃহীত উদ্ধৃতাংশে বর্ণিত ঘর ভরে উঠবে শিশুর মতো নিষ্পাপ চন্দ্রকলার পবিত্র আলোয়—যে আলো তরুণ বিপ্লবীদলকে মুক্তির পথ দেখাবে।
দেশমাতৃকার পরাধীনতার শৃঙ্খলমোচনে মহামন্ত্রে দীক্ষিত যুবসমাজের কাছে দেশ-জন্মভূমি-পৃথিবীই হল ‘ঘর’। ভারতবর্ষের অজ্ঞানতা, অন্ধবিশ্বাস ও পরাধীনতার অন্ধকার দূর করার জন্য তারা নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে যে বিপ্লবের আলোকরশ্মি প্রজ্বলন করেছে, তাতে ভরে উঠেছে সমগ্র বিশ্বচরাচর।
১.৮ … আসছে ভয়ংকর।— ভয়ংকরের আগমন পরিস্থিতিটি ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতা অনুসরণে আলোচনা করো।
উত্তর : বিদ্রোহী কবি নজরুলের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতার পটভূমি ব্রিটিশ শাসকের অত্যাচারে বিধ্বস্ত ভারতবর্ষ।
চৈত্রের শেষে কালবৈশাখী সমস্ত জীর্ণ পাতা ঝরিয়ে ধুলো উড়িয়ে যে ধ্বংসলীলায় মাতোয়ারা হয়ে যায় সেটাইতো নরসৃষ্টির পূর্বাভাস। ঠিক তেমনই পরাধীন ভারতবর্ষের বুকে স্বাধীনতার লক্ষ্যে যে আন্দোলনের উদ্দাম কালবৈশাখী ঝড় উঠেছে, তা যেন প্রলয় নেশায় নৃত্য পাগল। সে যেন মহাকালের চন্ড রূপ ধারণ করে সিন্ধুপারের ব্রিটিশরাজের সিংহদ্বারের আগল ভাঙছে। ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নব সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি নিয়ে অর্থাৎ সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে পরাধীনতাকে সরিয়ে স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনার লক্ষ্যেই ভয়ঙ্কর রূপে তার সদর্প আগমন।
১.৯ ‘অপূর্ব কহিল, বেলা হয়ে গেল, আমি এখন তবে চললুম কাকাবাবু।‘ – বেলা কীভাবে গড়িয়ে গেল?
উত্তর : উদ্ধৃতাংশটি কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ থেকে সংগৃহীত। অপূর্ব গত রাতে তার ঘরে ঘটে যাওয়া চুরির খবর জানতে পেরে পুলিশ স্টেশনে গিয়েছিল। সেখানে পুলিশের দলের বিচিত্র কান্ড এবং তামাশা দেখতে দেখতে তার ব্রেলা গড়িয়ে গিয়েছিল।
থানায় ঢুকেই অপূর্ব দেখে যে জনা ছয়েক বাঙালির থানাতল্লাশি হচ্ছে। তারপর বিশিষ্ট বিপ্লৱীসব্যসাচী মল্লিক সন্দেহে গিরিশ মহাপাত্র নামে এক অদ্ভুত বেশভূষার অধিকারী গাঁজাখোর ব্যক্তিকে বড়বাবুর সামনে হাজির করা হয়। এরপর গিরিশকে বড়বাবুর জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয় এবং গিরীশের পক্রেট ও ট্যাক তল্লাশির সময় একটি গাঁজার কল্কে পাওয়া যায়। যদিও গিরিশ ক্রমাগত গাঁজা সেবনের কথা অস্বীকার করে চলে। দীর্ঘক্ষন ধরে গিরিশকে নিয়ে পুলিশ কর্তাদের নানাবিধ জিজ্ঞাসাবাদ ও রক্রোক্তি শুনতে শুনতেই অপূর্বর বেলা গড়িয়ে গিয়েছিল।

১.১০ ‘কৈ এ ঘটনা তো আমাকে বলেন নি?’— বক্তা কাকে একথা বলেছেন? কোন্ ঘটনার কথা বক্তা আগে শোনেননি?
উত্তর : শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘পথের দাবী’ গদ্যাংশ থেকে উদ্ধৃত অংশটি বক্তা রামদাস তার সহকর্মী বন্ধু অপূর্বের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেছেন।
একবার কয়েকজন ফিরিঙ্গি যুবক বিনা দোষে অপূর্ব কে লাথি মেরে প্ল্যাটফর্ম থেকে বের করে দেয়। এই ঘটনার অভিযোগ জানাতে গেলে অপূর্ব ইউরোপীয় না হওয়ার কারণে স্টেশনমাস্টার অভিযোগ শোনার আগেই তাকে কুকুরের মত তাড়িয়ে দেন । অপূর্বর এই নিগ্রহের কথা রামদাস আগে শুনেন নি।

২. ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো: (প্রতিটির মান- ১)

ভোজ্যবস্তু= ভোজের বস্তু -সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস
           ভোজনের উপযুক্ত বস্তু – মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস,
পোশাক-পরিচ্ছদ= পোশাক ও পরিচ্ছদ -দ্বন্দ্ব সমাস,
সন্ধ্যাহ্নিক= সন্ধ্যায় পালনীয় আহ্ণিক – মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস,
সৃজন-বেদন= সৃজনের নিমিত্ত বেদন -নিমিত্ত তৎপুরুষ সমাস,
প্রলয়োল্লাস= প্রলয়ের নিমিত্ত উল্লাস -নিমিত্ত তৎপুরুষ সমাস,
রথঘর্ঘর= রথের ঘর্ঘর – সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস,
জয়ধ্বনি= জয়সূচক ধ্বনি -মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস,
সিংহদ্বার= সিংহ চিহ্নিত দ্বার – মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস,
শিশু- চাঁদ= শিশু যে চাঁদ -উপমান কর্মধারয় সমাস,
প্রলয়-নেশা= প্রলয় সৃষ্টি করে যে নেশা -উপপদ তৎপুরুষ সমাস

৩. কমবেশি ১৫০ শব্দে প্রতিবেদন রচনা করো : লর্ডসে রুদ্ধশ্বাস জয় ভারতীয় ক্রিকেট দলের।

লর্ডসে রুদ্ধশ্বাস জয় পেল ভারতীয় ক্রিকেট দল

নিজস্ব সংবাদদাতা, ১৭ই আগস্ট, লর্ডস: লর্ডস টেস্টে ঐতিহাসিক জয় ভারতীয় দলের। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের পঞ্চম দিনে ব্যাটে বলে দাপট দেখাল ভারতীয় ক্রিকেটাররা। প্রথমে চাপের মুহূর্তে ৮৯ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে ২৯৮ রানে পৌছে দেয় মহম্মদ শামি ও জসপ্রীত বুমরা৷ অর্ধশতরান করেন মহম্মদ শামি। ইংল্যান্ডের ২৭ রানের লিড বাদ দিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৭২ রানের টার্গেট (দেয় টিম ইন্ডিয়া। রান তাড়া করতে নেমে প্রথম থেকেই লাগাতার ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে চাপে বাড়তে থাকে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ। জো রুট ও জোস বাটলার কিছুটা লড়াই করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ১২০ রানে শেষ হয় ইংল্যান্ডের ইনিংস। ১৫১ রানে জয় পেল টিম ইন্ডিয়া।

SWG Academy

Class 10 Model Activity Task English Part 6 September

MODEL ACTIVITY TASK
CLASS – X
ENGLISH

Activity 1

Replace the underlined words with suitable phrasal verbs from the given list. Change the form of verbs if necessary.Write the answers in the given space : One extra phrasal verb is given in the list :

i) My older brother is in search of a job.

Ans: My older brother is looking for a job.

ii) I cannot tolerate his audacity.

Ans: I cannot put up with his audacity.

iii) The Headmistress distributed books among the students.

Ans: The Headmistress gave away books among the students.

 

[List of Phrasal verbs: give away, turn down, look for, put up with]

ACTIVITY 2

Join the following pairs of sentences :

a) Study attentively. You will not score high marks.

Ans: Study attentively otherwise you will not score high marks.

b) She saw a butterfly. She tried to catch it.

Ans: Seeing a butterfly, she tried to catch it.

c) She won a prize. I know it.

Ans: I knew that she own a prize.

d) He is my brother. He is wearing a blue shirt.

Ans: He, who is wearing a blue shirt is my brother.

ACTIVITY 3
Suppose you are the Cultural Secretary of the Students’ Club of your school. Write a notice in about 100 words informing the students about an Online Debate Competition for the students of Classes IX and X of your school. 
 
Name of School ( your school name)
 
NOTICE
  Date:30/08/2021
 
Online Debate Competition
 
It is hereby notified for information and necessary action to all concerned that our school is going to organise an Online Debate Competition for the students of class IX and X of our school. Students who are interested in participating in this Competition can give their names to their respective class monitors by tomorrow. The competition will be organised on 5th of September via online meeting platforms.
 
Name ( Your Name )
Cultural Secretary
 
SWG Academy

Class 10 Model Activity Task History Part 6 September

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক

 দশম শ্রেণি

ইতিহাস

নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো:

১. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও :

স্তম্ভ

স্তম্ভ

১.১ বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভা

(ক) ১৮৮৩ খ্রিঃ

১.২ ভারতসভা

(খ) ১৮৩৬ খ্রিঃ

১.৩ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস

(গ) ১৮৮৫খ্রিঃ

১.৪ ইলবাট বিল

(ঘ) ১৮৭৬ খ্রিঃ

উত্তর :

স্তম্ভ

স্তম্ভ

১.১ বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভা

(খ) ১৮৩৬ খ্রিঃ

১.২ ভারতসভা

(ঘ) ১৮৭৬ খ্রিঃ

১.৩ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস

(গ) ১৮৮৫খ্রিঃ

১.৪ ইলবাট বিল

(ক) ১৮৮৩ খ্রিঃ

২. সত্য বা মিথ্যা নির্ণয় করো :

২.১ ১৮৫৭-র বিদ্রোহকে জাতীয়তাবাদীরা ‘ভারতের স্বাধীনতা যুদ্ধ’ বলে ব্যাখ্যা করেন।

উত্তর : সত্য

২.২ ঔপনিবেশিক ভারতে লর্ড ক্যানিং প্রথম ভাইসরয় নিযুক্ত হন

উত্তর সত্য

২.৩ ‘বর্তমান ভারত’ গ্রন্থে স্বামী বিবেকানন্দ শূদ্র জাগরণের কথা বলেছেন।

উত্তর : সত্য

২.৪ ‘আনন্দমঠ উপন্যাসটি স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত হয়।

উত্তর : সত্য

৩. দুটি বা তিনটি বাক্যে নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৩.১ ‘গোরা’ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে কোন দ্বন্দ্বের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায় ?

উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘গোরা’ উপন্যাসটি জাতীয়তাবাদী উপন্যাস।

দ্বন্দ্ব : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার উপন্যাসে সমকালীন যুগজীবনের প্রতিচ্ছবি এঁকেছেন। এই উপন্যাসে ব্যক্তির সঙ্গে সমাজের, সমাজের সঙ্গে ধর্মের, ধর্মের সঙ্গে মানবসত্যের বিদ্বেষ ও দ্বন্দ্বের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়।

৩.২ গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মরণীয় কেন?

উত্তর: গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মরণীয় কারন-

(i) চিত্রশিল্পী: জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের সদস্য গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর বঙ্গীয় ঘরানার একজন চিত্রকর ও ব্যঙ্গচিত্রশিল্পী হিসাবে বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর ব্যঙ্গচিত্রগুলির মধ্যে অদ্ভুতলোক, বিরূপ বজ্র এবং নব হুল্লোড় প্রভৃতি বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

(ii) আধুনিক চিত্রশিল্পের পথিকৃৎ: গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘আধুনিক চিত্রশিল্পের পথিকৃৎ’ হিসাবে আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে ।

৪. সাত বা আটটি বাক্যে উত্তর দাও :

‘ভারতমাতা’ চিত্রটি কীভাবে ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রতীকে পরিণত হয়েছিল ?

উত্তর : 

ভূমিকা : ১৯০২ খ্রিস্টাব্দে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অঙ্কিত ‘বঙ্গমাতা’ চিত্রটিই স্বদেশি আন্দোলনের আবহে ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ‘ভারতমাতা’ রূপে খ্যাতি লাভ করে। ‘ভারতমাতা’ চিত্রটি কীভাবে ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রতীকে পরিণত হয়েছিল তা নিম্নে আলোচনা করা হলো –

 (i) মায়ের ধারনা ও জাতীয়তাবাদ : ভারতমাতা চিত্রটি হল গৈরিক বসন পরিহিতা একাধারে এক দেবী ও মানবী। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই চিত্রে মায়ের ধারনার সঙ্গে জাতীয়তাবাদকে যুক্ত করেন।

(ii) সমৃদ্ধ ভারতের প্রকাশ : ভারতমাতা চিত্রটির মাধ্যমে তুলে ধরা হয় ধনধান্যসমৃদ্ধ শস্যশ্যামলা ভারতবর্ষ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং তার পাশাপাশি ভারত আধ্যাত্মশক্তি ও নারীশক্তিতেও বলীয়ান।

(iii) ব্রিটিশ বিরোধিতা : ব্রিটিশ বিরোধী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারতমাতা চিত্রটিকে ব্রিটিশ বিরোধী একটি প্রতীক হিসাবে তুলে ধরেছিলেন ফলে সমকালীন ব্রিটিশ বিরোধী ভারতবাসীরা ভারতমাতা চিত্রটির মধ্যে জাতীয়তাবাদের উন্মেষ লক্ষ্য করতে পেরেছিলেন।

(iv) ভারতবর্ষের প্রতীক : ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় ‘ভারতমাতা’ চিত্রটিকে সবসময় আন্দোলনের সামনে রাখা হত ফলে খুব সহজেই ভারতমাতা চিত্রটি ভারতবর্ষের প্রতীক হয়ে উঠেছিল।

(v) ভারতীয় ঐতিহ্যের প্রকাশ : ভারতমাতা তাঁর চারটি হাতে ধরে আছেন ধানের গোছা, শুভ্রবস্ত্র, পুথি ও জপমালা এবং তাঁর পায়ের চারপাশে আছে সাদা পদ্মফুল। এগুলি সবই হল ভারতীয় ঐতিহ্যের ধারক বাহক ও প্রতীকস্বরূপ।

(vi) শান্তির প্রতীক : সশস্ত্র আন্দোলন সুস্থ জাতীয়তাবাদের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে তাই অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা নিরস্ত্র ‘ভারতমাতা’ চিত্রটি শান্তির প্রতীকস্বরূপ।

উপসংহার : ভগিনী নিবেদিতা ‘ভারতমাতা’–এর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছেন যে, এই চিত্রটির মাধ্যমে বিমূর্ত জাতীয়তাবাদকে মূর্ত করে তোলা হয়েছে।

SWG Academy

Class 10 Model Activity Task Geography Part 6 September

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক

 দশম শ্রেণি

পরিবেশ ও ভূগোল

১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো :                

১.১ আরোহণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হলো—

(ক) গিরিখাত

(খ) রসে মতানে

(গ) বালিয়াড়ি

(ঘ) গৌর

উত্তর :  বালিয়াড়ি

১.২ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো—

(ক) উত্তর-পশ্চিম ভারতের প্রাচীন ভঙ্গিল পর্বত – নীলগিরি

(খ) দক্ষিণ ভারতের পূর্ববাহিনী নদী – নর্মদা

(গ) আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের চিরহরিৎ বৃক্ষ – মেহগনি

(ঘ) উত্তর-পূর্ব ভারত – কৃথ্ব মৃত্তিকা

উত্তর :  আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের চিরহরিৎ বৃক্ষ – মেহগনি

১.৩ ভারতের রূঢ় বলা হয়—

(ক) জামসেদপুরকে

(খ) দুর্গাপুরকে

(গ) ভিলাইকে

(ঘ) বোকারোকে

উত্তর :  দুর্গাপুরকে

. বাক্যটি সত্য হলেঠিকএবং অসত্য হলেভুললেখো :           

২.১ নদীখাতে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট গর্তগুলি হলো মন্থকূপ।
উত্তর : ঠিক
২.২ ভারতের উপকূল অঞ্চলে দিনেরবেলা স্থলবায়ু প্রবাহিত হয়।
উত্তর : ভুল
২.৩ শুষ্ক ও উষু আবহাওয়া চা চাষের পক্ষে আদর্শ।
উত্তর : ভুল

৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :

৩.১ “অক্ষাংশভেদে হিমরেখার উচ্চতা ভিন্ন হয় –ভৌগোলিক কারণ ব্যাখ্যা করো। 
উত্তর : হিমরেখা সর্বত্র এক উচ্চতায় অবস্থান করে না কারণ –

অক্ষাংশভেদে উন্নতার তারতম্য : উন্নতা বাড়লে হিমরেখার উচ্চতা বাড়ে এবং উষ্ণতা কমলে উচ্চতা কমে। নিম্ন অক্ষাংশে উষ্ণতা বেশি হওয়ায় হিমরেখা অধিক উচ্চতায় অবস্থান করে। ক্রমশ উচ্চ অক্ষাংশের দিকে উষ্ণতা হ্রাস পাওয়ায় হিমরেখার উচ্চতাও হ্রাস পেতে থাকে। যেমন-

অক্ষাংশ

হিমরেখার উচ্চতা

(i)          0°

6000 মিটার

  (ii)         23½°

4600 মিটার

(iii)          70°

1200 মিটার

(iv)         90°

100 মিটার

৩.২ হিমালয় পর্বতমালা কীভাবে ভারতীয় জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে? 
উত্তর :  হিমালয় পর্বতের অবস্থান ভারতের জলবায়ুকে যথেষ্ট প্রভাবিত করে।
1.শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত : ভারতের উত্তর সীমান্ত বরাবর অবস্থিত হিমালয় পর্বতের দক্ষিণ ঢালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাধাপ্রাপ্ত হয়, ফলে সমগ্র উত্তর ভারত জুড়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটে। এছাড়া এই বায়ুকে ক্রমশ সমগ্র ভারতে ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করে।

2. জলবায়ুর প্রকৃতি নির্ধারণ : উপক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও অধিক উচ্চতার কারণে হিমালয়ের জলবায়ু উষ্ম প্রকৃতির না হয়ে শীতল নাতিশীতোয় প্রকৃতির হয়।

3.শৈত্যপ্রবাহ থেকে রক্ষা : হিমালয় পর্বতের অবস্থান হেতু মধ্য এশিয়া ও উত্তর-পূর্ব এশিয়া থেকে আগত অতি শীতল বায়ু ভারতে প্রবেশ করতে পারে না। তাই তীব্র শীতের প্রকোপ থেকে ভারত রক্ষা পায়।

4. তুষারপাত : অধিক উচ্চতার কারণে হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে প্রধানত শীতকালে তুষারপাত ঘটে।

5. মৌসুমি বায়ুর নিয়ন্ত্রণ : হিমালয় পর্বত পরোক্ষভাবে মৌসুমি বায়ুর উৎপত্তি, গতিপথ এবং গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ করে।

 

৪. ভারতীয় জনজীবনে নগরায়ণের নেতিবাচক প্রভাবগুলি উল্লেখ করো। 
উত্তর :

ভূমিকা :- যদিও ভারতে সমগ্র জনসংখ্যার মাত্র 27.78% শহর বা সন্নিহিত অঞ্চলে বসবাস করে থাকে, বর্তমানে আমাদের দেশ নগরায়ণ নামের এক জটিল সমস্যার সম্মুখীন। যদিও এটা অস্বীকার করা যায় না যে নগরায়ণকে হাতিয়ার করেই বিগত কয়েক দশকে আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নতি ঘটেছে নগরায়ণ আমাদের কিছু আর্থ-সামাজিক সমস্যারও সম্মুখীন করে তুলেছে। বর্তমানে ভারতে শহরে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক এবং এই বিপুল পরিমাণ জনসংখ্যা শহরের শৌচাগার, পরিবহণ, জল, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং বাসযোগ্য গৃহের ওপর বিপুলচাপ সৃষ্টি করছে।

অপরিকল্পিত নগরায়ণ : সরকারি নীতির শৈথিল্যের কারণে শহুরে জনসংখ্যা ও তার সঙ্গে বাসস্থানের গুণমানের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকছে না। অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে স্থানীয় অর্থনৈতিক ভিত্তি অকল্পনীয় চাহিদার কারণে দুর্বল হয়ে পড়ছে। নিকটবর্তী গ্রামগুলি থেকে দৈনন্দিন ভিত্তিতে অভিবাসনের দরুন শহরগুলির প্রকৃত আয়তন আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। বর্তমানে ধনবান ব্যক্তিরা শহরের কেন্দ্রস্থল অপেক্ষা শহরের প্রান্তসীমায় পাড়ি দিচ্ছেন। এভাবেই দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, কলকাতা প্রভৃতি শহরের আয়তন আজ অকল্পনীয়ভাবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েছে অনেক দখলীকৃত কৃষিজমির বিনিময়ে।

মানুষের শহরমুখী প্রবণতা : জীবন ও জীবিকার কারণে এবং উন্নত জীবনযাত্রার আকর্ষণে শহরমুখী জনস্রোত বেড়েই চলেছে; যার ফলে অনেক সংখ্যক মানুষকে খুব কম জায়গার মধ্যে থাকতে হচ্ছে। যেমন— 2001 সালের জনগণনা অনুসারে দিল্লির জনঘনত্ব 9340 জন প্রতি বর্গকিমি যা ভারতে সর্বোচ্চ। যদিও এটি দিল্লির গড় জনঘনত্ব, যার অর্থ দিল্লির কেন্দ্রস্থলের জনঘনত্ব আরো বেশি। জনসংখ্যার ঘনত্ব ভারতের প্রধান চারটি শহরে আজ এতই বেশি যে শহরগুলির চারদিকে একাধিক নগর নির্মাণের মাধ্যমেও জনঘনত্ব কমানোর চেষ্টা সফল হচ্ছে না।

পরিকাঠামোগত অভাব : (1)বসতি : অত্যধিক জনঘনত্ব শহরাঞ্চলে বসতির তীব্র অভাব তৈরি করেছে। বর্তমান জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে গেলে প্রতি বছর 25 লক্ষ নতুন গৃহের প্রয়োজন অথচ বাস্তবে যার 15%-এর চেয়েও কম নির্মিত হয়। বসতি নির্মাণকারী দ্রব্যসমূহের অভাব এবং আর্থিক সমস্যাই এর মূল কারণ। এ ছাড়াও দূরবর্তী স্থানগুলিতে যোগাযোগ ব্যবস্থাও অপ্রতুল, যার দ্বারা সেখানে গৃহনির্মাণ সম্ভব হতে পারে। (2)পরিবহণ : শহরগুলির আয়তন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এমনকি শহরের মধ্যে বসবাসকারী ব্যক্তিকেও জীবিকার প্রয়োজনে শহরের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে হয় এবং শহরের বাইরে থেকে যাঁরা আসেন তারা অপ্রতুল জনপরিবহণের সাহায্য নিতে বাধ্য হন। 2004 সালের সমীক্ষা অনুসারে, যানবাহনের সংখ্যা 2021 সালে প্রায় দ্বিগুণ হবে, কিন্তু রাস্তার দৈর্ঘ্য অনুরূপ বাড়বে না। (3)স্বাস্থ্য : অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে বৃহৎ শহরগুলিতে নির্মিত গৃহগুলির গুণমান অধিকাংশই নিম্নমানের হওয়ায় তা স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করছে। জনসংখ্যার বিপুল চাপ সরকারি চিকিৎসালয়গুলির পক্ষে বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়ায় মানুষকে অত্যধিক ব্যয়ের মাধ্যমে বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে বা চিকিৎসা করানোই সম্ভব হচ্ছে না। (4) শিক্ষা : শহরকেন্দ্রের সন্নিহিত অঞ্চলের গুটিকয়েক শিক্ষাকেন্দ্রের ওপর বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থীর চাপ, শিক্ষায় দুর্নীতি, আকাশছোঁয়া শিক্ষা-খরচ প্রভৃতির কারণে শহর সংলগ্ন বিদ্যালয় ও নত্ব উচ্চবিদ্যালয়গুলিতে আজকাল প্রায়ই অচলাবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।

ALL Class ALL Model Activities Click Here
 Class 6 Model Activity Task Part 7 (Bengali, English, History, Geography )Click Here
 Class 6 Model Activity Task Part 7 (Science, Mathematics, Health & Physical Education)Click Here
 Class 7 Model Activity Task Part 7 (Bengali, English, History, Geography )Click Here

 Class 7 Model Activity Task Part 7 (Science, Mathematics, Health & Physical Education)

Click Here
 Class 8 Model Activity Task Part 7 (Bengali, English, History, Geography )Click Here
 Class 8 Model Activity Task Part 7 (Science, Mathematics, Health & Physical Education)Click Here
Class 9 Model Activity Task Part 7 (Bengali, English, History, Geography )Click Here
Class 9 Model Activity Task Part 7 (Science, Mathematics, Health & Physical Education)Click Here
Class 10 Model Activity Task Part 7 (Bengali, English, History, Geography )Click Here
Class 10 Model Activity Task Part 7 (Science, Mathematics, Health & Physical Education)Click Here

Leave a Comment

Your email address will not be published.